কখন বুঝবেন,আপনার বিজনেসের জন্য ই-কমার্স ওয়েবসাইট প্রয়োজন?

কখন বুঝবেন,আপনার বিজনেসের জন্য ই-কমার্স ওয়েবসাইট প্রয়োজন?

আপনার বিজনেসের জন্য ই-কমার্স ওয়েবসাইট কি খুব প্রয়োজন? নাকি ফেসবুক নির্ভর বিজনেস আপনার জন্য যথেষ্ট?

আজ এই প্রশ্নটির উত্তর খুজবো।

ই-কমার্স বিজনেস এতটাই সহজ নয় যতটা আমরা মনে করি। সফলতা পেতে এক্ষেত্রে আপনাকে কৌশলী হতে হবে।

যেহেতু কাস্টমারদের ফেইস টু ফেইস ডিল করার সুযোগ অনলাইন প্ল্যাটফরমে নেই, এক্ষেত্রে তাদের কার্যকলাপ যত বেশি ট্র্যাক করতে পারবেন, অনলাইন বিজনেসে সফলতার মাত্রা ঠিক তত বেশি।

একটি ই-কমার্স বিজনেসে কয়েকটি অংশ থাকে, যেমন প্রডাক্ট শো-কেস, অর্ডার রিসিভ, অর্ডার ফুলফিলমেন্ট, পেমেন্ট রিসিভ ইত্যাদি।

যদি চান, আপনার বিজনেসটিকে পরিপূর্ণভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করবেন যেখানে আপনার বিনিয়োগকৃত টাকার বিপরীতে সঠিক রিটার্ন আসবে। তবে বিজনেসে ই-কমার্স ওয়েবসাইট থাকা প্রথম শর্ত।

ই-কমার্স ওয়েবসাইট কেন প্রয়োজন?

এই প্রশ্নটি কয়েকটি ভাগে ভাগ করে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়গুলো একজন ই কমার্স উদ্যোক্তার জানা একান্ত  প্রয়োজন।

শপ ডিজাইন

ধরুন, আপনি জুতো কিনতে গেছেন। একটি দোকানে ঢুকে দেখলেন তার দোকানের সমস্ত জুতোগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

মূল্য তালিকা লিখা নেই, নেই প্রোডাক্টটি সম্পর্কে ধারণা দেবার মত কেউ? এমন একটি দোকান থেকে কি আপনি জুতো কিনতে চাইবেন?

নিশ্চয়ই কিনবেন না? 

কারণ আপনি মনে করেন অগোছালো ও তথ্যের স্বল্পতা একটি অপেশাদার ব্যবসার লক্ষণ।

এছাড়া এমন এলোমেলো দোকান থেকে আপনি আপনার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসটাও ঠিকমতো খুঁজে পাবেন না।

এবার চিন্তা করুন, আপনি এমন একটি দোকানে ঢুকেছেন যেখানে প্রোডাক্টগুলো সুসজ্জিত ভাবে ক্যাটাগরি অনুসারে সাজানো রয়েছে।  প্রতিটা প্রোডাক্ট এর সাথে তার মূল্য দেওয়া আছে, সাথে রয়েছে প্রোডাক্ট এর ফিচারের বর্ণনা।

এমন একটি দোকানে আপনার পছন্দের জিনিসটি খুব সহজে খুঁজে পাবেন এবং সেটি আপনার প্রয়োজন মেটাবে কিনা সেটিও বুঝতে পারবেন।

এটা কেনার আগে সিদ্ধান্ত নিতে আপনার জন্য যথেষ্ট সহায়ক হবে।

ই-কমার্স বিজনেস এর ক্ষেত্রেও একই রকম হয়।

ফেইসবুক বিজনেস পেজ বর্তমান সময়ে অনেকটাই কেনাবেচার উপযোগী করে তৈরি করা।

কিন্তু সেখানে ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর মত category-wise সুসজ্জিত ভাবে প্রোডাক্ট সাজিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

ফেসবুক বিজনেস পেজ মূলত আপনার বিজনেস এর প্রচারের জন্য।

কিন্তু আপনার যখন একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট থাকবে সেটি আপনার প্রোডাক্ট এর ধরন অনুযায়ী আপনার সুবিধা মত এর ডিজাইন কে ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।

যদি প্রোডাক্ট রেঞ্জ অনেক বেশি হয়, প্রোডাক্ট ভ্যারাইটি যদি অনেকগুলো থাকে এবং যদি চান আপনার বিজনেসের প্রোডাক্টের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ডিজাইন বেছে নিতে, তবে অবশ্যই আপনার একটি কমার্স ওয়েবসাইট প্রয়োজন।

এটি পছন্দের ক্ষেত্রে আপনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়।

প্রোডাক্ট শোকেস

আপনি হয়তো ফেসবুক দিয়ে বিজনেস শুরু করেছিলেন। কিন্তু এখন আপনার বিজনেস ধীরে ধীরে বড় হতে চলেছে।

প্রোডাক্টের সংখ্যাও বেড়েছে। যত বেশি প্রোডাক্টের সংখ্যা বাড়বে ফেসবুক পেইজে প্রোডাক্ট সিঙ্গেল স্ক্রিনে ম্যানেজ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে।

সবগুলো প্রোডাক্ট দেখতে স্ক্রল করে করে নিচের দিকে যাওয়া লাগবে এবং কাস্টমার যদি আবার পূর্বের প্রোডাক্টে ফিরে যেতে চান তবে কোন অবস্থানে ছিলেন সেটি হারিয়ে ফেলবেন।

একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটে ক্যাটেগরি ও সাব-ক্যাটাগরি অনুসারে হোমস্ক্রিনে একটি পূর্ণ নেভিগেশন দেওয়া থাকে। 

কাস্টমার প্রোডাক্ট দেখতে দেখতে অনেক ভিতরে ঢুকে গেলে চাইলেই একটা ক্লিকে পূর্বের অবস্থানে ফিরে আসতে পারবেন অথবা ইচ্ছেমতো পছন্দের প্রোডাক্ট এর অবস্থানে যেতে পারবেন।

প্রোডাক্টের ছবি ই-কমার্স বিজনেস এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 

হাই রেজুলেশনের ছবি আপনার প্রোডাক্টের মেটেরিয়ালকে সঠিকভাবে প্রদর্শন করে। 

ফেসবুক পেজে  হাই রেজুলেশনের ছবি ইউজ করা যায় না। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবির কোয়ালিটি অপটিমাইজ করে ফেলে।

ই-কমার্স ওয়েবসাইট থাকলে আপনার প্রোডাক্টের হাই রেজুলেশন ছবি ব্যবহার করতে পারবেন। বর্তমান সাইটগুলো  আধুনিক প্রজুক্তি সম্বলিত, যেখানে প্রোডাক্টের ছবির উপর কার্সর নিয়ে গেলে অটোমেটিক ভাবে জুম হয়ে দেখা যায়।

প্রোডাক্ট এর বর্ণনা, মূল্য, স্টক এর পরিমান সবকিছু একটি পেজে চমৎকারভাবে ম্যানেজ করা যায়।

শুধু তাই নয়, সেই প্রোডাক্ট এর রিলেটেড আর কি কি প্রোডাক্ট রয়েছে, সিস্টেম অটোমেটিক ভাবে কাস্টমারদের সাজেশন দেয়। 

এতে করে ই-কমার্স শপিং এর ক্ষেত্রে কাস্টমার এক অনন্য অভিজ্ঞতা লাভ করে।

Check-out প্রসেস

প্রোডাক্ট পছন্দ হয়ে গেলে সেটি অর্ডার করতে হবে। f-commerce দ্বারা বিজনেস করলে কাস্টমার যখন প্রোডাক্ট অর্ডার করে, তখন প্রোডাক্টের স্কিনশট অথবা কোড দিয়ে আপনাকে ইনবক্স করে। জানতে চায় সেটি এভেলেবেল আছে কিনা।

24/7 কম্পিউটার কিংবা মোবাইল ফোন নিয়ে কখন কাস্টমার অর্ডার করবে এবং তাকে আপনি রিপ্লাই দিবেন সে আশায় থাকা অসম্ভব।

কিন্তু ইকমার্স ওয়েবসাইটে কাস্টমার ইচ্ছে করলেই পছন্দের প্রোডাক্টটি কার্টে অ্যাড করে সেখান থেকে চেক আউট অপশনে গেলেই পুরো অর্ডার প্রক্রিয়া তার সামনে চলে আসে।

প্রোডাক্ট কেনার জন্য সে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারে।

যদি চান কাস্টমার তার পছন্দের প্রোডাক্টটি তার সুবিধামতো সময়ে কেনাকাটা করুক এবং পুরো বিক্রয় প্রক্রিয়াটি অটোমেটিক ভাবে সম্পন্ন হোক, এক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের কোনো বিকল্প নেই।

পেমেন্ট রিসিভ

বাংলাদেশের প্রায় ৮০ শতাংশ ই-কমার্স কেনাবেচা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে হয়। 

বর্তমান সময়ের দৃশ্য কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে।

কার্ড ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে এর অর্থ  অনলাইন পেমেন্ট এর সুযোগ বেড়ে যাচ্ছে।

কাস্টমার তার পছন্দের প্রোডাক্ট কেনার পর  যেকোনো পেমেন্ট অপশন বেছে নিয়ে মূল্য পরিশোধ করতে পারছে। একটি নিদৃষ্ট পেমেন্ট অপশন এর মধ্যে সে সীমাবদ্ধ থাকছে না। 

ভিসা কার্ড, মাষ্টার কার্ড, বিকাশ, রকেট যে যেই ধরনের পেমেন্ট অপশন ব্যবহার করে সেটা দিয়েই সে কেনাকাটা সম্পন্ন করতে পারবে।

পেমেন্ট আপনি রিসিভ করবেন সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে। লেনদেনের জন্য এটি অত্যন্ত নিরাপদ মাধ্যম।

যদি চান আপনার পেমেন্ট কালেকশন ক্যাশলেস হোক, কাস্টমার প্রডাক্ট অর্ডার করার সাথেই পেমেন্ট করুক। সে ক্ষেত্রে আপনার পেমেন্ট গেটওয়ে যুক্ত ইকমার্স ওয়েবসাইট প্রয়োজন। 

স্পিড

অনলাইন কেনাকাটায়  স্লো সিস্টেম কেউই পছন্দ করে না। ই-কমার্স ওয়েবসাইটের স্পিড অপটিমাইজেশন করার মাধ্যমে এটি কে অনেক দ্রুত গতির করা যায়।

এতে একজন কাস্টমার যে কোন ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করে বা যেকোন ধরনের নেটওয়ার্কে দ্রুততার সাথে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তার ডিভাইসে রান করতে পারে। পছন্দের প্রোডাক্ট অনলাইনে ওপেন করে দেখতে পারে এবং কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই আপনার শপের সমস্ত প্রোডাক্ট ঘুরে আসতে পারে।

থার্ড পার্টি সেলিং সিস্টেমগুলো অনেক ধীর গতির হয়ে থাকে কারণ তাদের ইউজার অনেক এবং সেটি আপনার আদর্শ কাস্টমারদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি না। 

আর যদি সেই সিস্টেমগুলো আপনি ফ্রিতে ব্যবহার করে থাকেন, তবে তারা কখনোই আপনার ইচ্ছে মত সিস্টেমের গতি অপ্টিমাইজেশন করার সুবিধা প্রদান করবে না।

যদি চান আপনার কাস্টমার সব ধরনের ডিভাইস অথবা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে দ্রত গতিতে কেনাকাটা করুক, স্লো গতির জন্য তারা যেন বিরক্ত না হয়। 

তবে আপনার বিজনেস এর জন্য নিজস্ব ইকমার্স ওয়েবসাইট খুবই প্রয়োজন।

 

 

বিশ্বব্যাপী বিজনেস

বাংলাদেশের অধিকাংশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা বর্তমানে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে দেশের বাইরে তাদের প্রোডাক্ট কেনাবেচা করছে। 

এ ক্ষেত্রে বিদেশি বায়ারদের এ দেশে আসতে হয়। আপনার সাথে যোগাযোগ করতে হয়, আপনার প্রোডাক্ট দেখার পরে তারা সেগুলো অর্ডার করেন।

এটি অনেক ব্যয়বহুল ও সময় সাপেক্ষ একটি প্রক্রিয়া। এ ধরনের ফিজিক্যাল কমিউনিকেশন রেগুলার বিজনেসের জন্য খুব বেশি সুবিধা প্রদান করে না।

আবার অনেক সময় প্রাকৃতিক বিপর্যয় ফিজিক্যাল বিজনেস কে ব্যাহত করে যার জলজ্যান্ত উদাহরণ কোভিড-১৯ মহামারি কালীন অবস্থা ।

যদি চান আপনার প্রডাক্ট দেশের বাইরের বায়ার দেশে না এসেই অর্ডার করুক। তবে বিজনেসে ই-কমার্স ওয়েবসাইট অত্যন্ত প্রয়োজন।

ই-কমার্স বিজনেস এর সীমানা এখন বিশ্বব্যাপী। আপনি ছোট্ট একটা ঘরে বসে সারা বিশ্বের যেকোন প্রান্তে আপনার প্রোডাক্ট কেনাবেচা করতে পারেন।

যোগাযোগ করতে পারেন বায়ারদের সাথে। আপনার সমস্ত প্রোডাক্ট অরগানাইজ ভাবে তাদের দেখাতে পারেন এবং প্রয়োজনমতো আপনার বায়ার অনলাইনে আপনাকে অর্ডার করতে পারে।

কাস্টমারদের ডেটা ম্যানেজমেন্ট

কাস্টমারদের তথ্য বিজনেসের মূলধন। এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হলে সেগুলো লম্বা সময় ধরে আপনার বিজনেসের অনলাইন সেল নিশ্চিত করে।

বিজনেস এর অনলাইন মার্কেটিংয়ে এই ডেটা অত্যন্ত মূল্যবান। ই-কমার্স ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কাস্টমারদের নাম, ঠিকান, ইমেইল, ফোন নাম্বার সহ এ ধরনের সকল ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।

পরবর্তী সময়ে বিজনেস এর ইমেইল মার্কেটিং, এসএমএস মার্কেটিং এর জন্য এই তথ্য ব্যবহার করা সহজ হয়।

একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট সুসজ্জিত ভাবে কাস্টমারদের ডেটা ম্যানেজ করার সুবিধা প্রদান করে।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

সমসাময়িক সময়ে বিজনেসের সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং-এ ফেসবুক সবার প্রথমে। ফেসবুকের এডভান্স লেভেলের এডভার্টাইজিং এর ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট জরুরী।

আমরা অনেকেই ফেসবুক পিক্সেল এর নাম শুনেছি। এটি ফেসবুকের একটি এনালাইটিক্যাল টুলস। যার মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়া ও ওয়েবসাইটের ভিজিটর ট্রেকিং করা যায়।

ফেসবুক বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে এই টুলস ব্যবহার করে রি-টার্গেটিং করা সম্ভব অর্থাৎ যারা একবার আপনার অ্যাড দেখেছে তাদেরকে পরবর্তী সময়ে আবার আপনার অ্যাড সফল ভাবে দেখানো যায়।

আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন, ফেসবুকে একটি এড দেখার পর সেখানে আপনি ক্লিক করেছেন এবং পরবর্তী সময়ে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম যেখানেই গেছেন সে এড আপনি বারবার দেখেছেন।

এমনটা হয় এর কারণ ফেসবুকের পিক্সেল ব্যবহার করে রি-টার্গেটিং অ্যাড চালানো হয়েছে।

ফেসবুক পিক্সেল এর সাহায্যে একটি এড কে আরো বেশি সুনিদৃষ্ট ও এফেক্টিভ করা যায়।

তাই মার্কেটিং বাজেটের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং অনলাইন এডভার্টাইজিং কে আরো বেশি সুনির্দিষ্ট এবং কার্যকারী করতে ই-কমার্স ওয়েবসাইট অবশ্যই প্রয়োজন।

ব্র্যান্ড পরিচিতি ও আস্থা

ফেসবুকে বিনামূল্যে পেইজ তৈরীর মাধ্যমে বিজনেস করার এই সুবিধার কারণে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে অনেক অনলাইন শপ।

যাদের নেই কোন পেশাদারিত্ব ও কাস্টমার সার্ভিস। তারা কোন রকম অর্থ বিনিয়োগ করা ছাড়াই ফেইসবুক এর দ্বারা বিজনেস করতে চায়।

অনলাইনের এই আগাছাদের ভিড়ে নিজের অস্তিত্ব ও স্বকীয়তাকে জানান দিয়ে সুনামধন্য ব্র্যান্ড হিসেবে কাস্টমারদের আস্থা অর্জন করে বিজনেস পরিচালনা করতে হলে ই-কমার্স ওয়েবসাইট প্রয়োজন।

প্রয়োজন তার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবহার। একজন অনলাইন উদ্যোক্তা কোন কারণ ছাড়া ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর পেছনে এবং তার মানোন্নয়নে অর্থলগ্নি করবে না।

এটি কাস্টমারদের কাছে আপনার বিজনেসটিকে আস্থাশীল করে তোলে। 

পরিশেষে

ই-কমার্স ওয়েবসাইট একটি বিজনেসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 

ব্র্যান্ড হিসেবে বেড়ে উঠতে, কাস্টমারদের আস্থা অর্জন করতে, সঠিক মার্কেট এবং কাস্টমার ইন্সাইট পেতে চাইলে আপনার প্রয়োজন একটি মানসম্মত ই-কমার্স ওয়েবসাইট।

আপনার কাস্টমারদের অনলাইন কেনাকাটায় যত ভালো অভিজ্ঞতা প্রদান করবেন, তারা তত বেশি আপনার বিজনেসের প্রতি অনুগত হবে।

একটি লম্বা সময়ের বিজনেস পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে বিজনেসের প্রকৃত অবস্থা বিবেচনা সাপেক্ষে সঠিক পথে অগ্রসর হতে হলে ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর কোন বিকল্প নেই।

উপরের আলোচিত বিষয়গুলোর প্রেক্ষাপটে আপনার বিজনেসটিকে চিন্তা করে দেখুন।

যদি মনে হয়, আপনার বিজনেসটিকে এখন পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাওয়ার সময় হয়েছে তবে আপনার ইকমার্স ওয়েবসাইট এর জন্য দরকারি ডিজাইন ও ফিচারের একটি খসড়া তৈরি করে ফেলুন।  

আপনার বিজনেসের ই কমার্স ওয়েবসাইট তৈরির অভিজ্ঞতা কেমন ছিলো? শেয়ার করুন আমাদের সাথে।

বিজনেসের ফেসবুক প্রমোশনে কোন ধরনের অ্যাড আপনার জন্য সঠিক?

বিজনেসের ফেসবুক প্রমোশনে কোন ধরনের অ্যাড আপনার জন্য সঠিক?

ফেসবুকের অ্যাড অপশন গুলো সম্পর্কে যদি আপনি না জেনে থাকেন তবে চিন্তার কারন নেই। অনেক মানুষই এ সম্পর্কে পুরোপুরি ভাবে জানেন না।

আপনার মতই তারাও ফেসবুক বিজ্ঞাপন কিভাবে শুরু করবেন সেটি নিয়ে চিন্তিত।

আপনার বোঝার সুবিধার্থে তিনটি ভাগে ফেইসবুক বিজ্ঞাপন নিয়ে কথা বলব।

কোন ক্যাম্পেইন কখন করবেন, আপনার অডিয়েন্সদের কাছে পৌঁছাতে কোথায় কোথায় অ্যাড প্লেসমেন্ট করবেন এবং কোন ধরনের ছবি বা মিডিয়া আপনার অবজেকটিভের সাথে উপযুক্ত।

১। ক্যাম্পেইনের অবজেক্টিভ নির্ধারণ করুন

প্রথমে নির্ধারণ করুন আপনি অ্যাড থেকে কি অর্জন করতে চান। আপনি কি ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরি করতে চান? নাকি ফেসবুক পেইজে লাইক শেয়ার বা মেসেজ চান। অথবা আপনি চান কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করুক।

আপনার অ্যাডের লক্ষ্য অর্জন করতে ফেইসবুক বিভিন্ন ধরনের অ্যাড অবজেক্টিভ সুবিধা প্রদান করে। 

অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন

যদি চান আপনার বিজনেস এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে মানুষ জানুক তবে ফেইসবুক এর দুই ধরনের অ্যাড ক্যাম্পেইন রয়েছে।

সেখান থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিতে পারেন।

ব্র্যান্ড অ্যাওয়ারনেস

এই অবজেক্টিভ নির্ধারণ করলে ফেইসবুক আপনার টার্গেট অডিয়েন্সদের কাছে বিভিন্ন উপায়ে কৌশলগতভাবে আপনার অ্যাড টি প্রদর্শন করবে। অডিয়েন্স একটি অ্যাড যত বেশি দেখবে, ততবেশি সেই ব্র্যান্ডকে সে মনে রাখবে।

এবং তার প্রয়োজনমতো সময়ে সেই পেইজ বা ব্র্যান্ড এর সাথে যোগাযোগ করবে।

রিচ ক্যাম্পেইন

ফেসবুকের অ্যাড এই অবজেক্টিভ আপনার অ্যাড যত বেশি সম্ভব মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।

আপনার ব্র্যান্ড এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে যত বেশি মানুষ জানবে ততবেশি আদর্শ কাস্টমার পাবার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। 

রিচ ক্যাম্পেইনের সফলতা নির্ভর করে এ ক্যাম্পেইনটি কত বেশি দিন চলছে তার ওপরে।

যত বেশি সময় রিচ ক্যাম্পেইন চালানো হবে যত বেশি পরিমাণ অডিয়েন্স দের কাছে পৌছানো সম্ভব হবে।

ব্র্যান্ড অ্যাওয়ারনেস এর দ্বিতীয় ধাপ কনসিডারেশন ক্যাম্পেইন

ব্র্যান্ড অ্যাওয়ারনেস এবং রিচ ক্যাম্পেইন চালানোর পরপরই যে ক্যাম্পেইন অবজেক্টিভ আপনার জন্য উপযুক্ত সেটি হচ্ছে কনসিডারেশন ক্যাম্পেইন।

এই ধাপে একজন কাস্টমার কে সরাসরি আপনার ওয়েবসাইটে অথবা ফেইসবুকের কোন স্পেসিফিক পোস্টে বা মূল পেইজে নিয়ে আসা যায়।

ট্রাফিক

ট্রাফিক ক্যাম্পেইন টার্গেট অডিয়েন্সদেরকে আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে আসতে সাহায্য করে।

আপনি যদি ব্লগপোস্ট অথবা ফেইসবুক পেইজের কোন কনটেন্ট প্রমোট করতে চান তবে এই ক্যাম্পেইন আপনার জন্য উপযুক্ত।

এঙ্গেজমেন্ট

এই ক্যাম্পেইন আপনার ফেসবুক পেইজ অথবা ওয়েবসাইটের পোস্টে কাস্টমারদের ইন্টারেকশন করতে ব্যবহার করা হয়।

যদি চান আপনার ফেসবুক পোস্টে টার্গেট অডিয়েন্স লাইক শেয়ার বা কমেন্ট করুক বা ওয়েবসাইটের কোন ব্লগপোস্টে অথবা প্রডাক্ট এর সাথে কাস্টমার যুক্ত হোক তাহলে এই ক্যাম্পেইন চালাতে হবে।

অ্যাপ ইনস্টল

আপনার ইকমার্স ওয়েবসাইটটির যদি মোবাইল অ্যাপ থাকে তবে সেই অ্যাপটি কাস্টমারদের ইনস্টল করতে উৎসাহিত করার জন্য অ্যাপ ইনস্টল ক্যাম্পেইন ব্যবহার করতে পারেন।

ভিডিও ভিউ

আপনি যদি ফেইসবুক লাইভ ব্যবহার করে প্রোডাক্ট সেল করেন অথবা প্রডাক্ট রিভিউ ভিডিও তৈরি করেন তবে এই ক্যাম্পেইন আপনার জন্য আদর্শ।বড় অডিয়েন্স গ্রুপের কাছে আপনার ভিডিওটি পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে আপনার পেইজের বা ওয়েবসাইটের সাথে কাস্টমার এনগেজ হয়।

এই ক্যাম্পেইন চালানোর জন্য অ্যাড অবজেকটিভের এনগেজমেন্ট ক্যাম্পেইনের অবজেক্টিভস ভিডিও ভিউ অবজেক্টিভ সিলেক্ট করে দিতে হবে। পারফরম্যান্স নির্ধারণ করা হয় একজন অডিয়েন্স ৩ সেকেন্ড বা তারও বেশি যদি ভিডিওটি দেখে তার ওপরে।

লিড জেনারেশন

কাস্টমারদের তথ্য যেমন ফোন নাম্বার নাম ইমেইল পেতে হলে লিড জেনারেশন ক্যাম্পেইন চালাতে হয়। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে একজন কাস্টমার আপনার ফেইসবুক পেইজের মেসেঞ্জারে অথবা ওয়েবসাইটের লিড জেনারেশন ফর্ম পূরণ করার মাধ্যমে যুক্ত হয়।

মেসেজ

টার্গেট অডিয়েন্স সরাসরি আপনার সাথে মেসেঞ্জারে যুক্ত হোক চাইলে মেসেজ এড ক্যাম্পেইন চালাতে পারেন।

অনেক সময় প্রোডাক্টের বিস্তারিত জানতে বিজনেস সম্পর্কে ব্যক্তিগতভাবে জানতে অথবা সেলারের সাথে সরাসরি কথা বলতে এ ক্যাম্পেইন অবজেক্টিভ ব্যবহার করা হয়।

কনভার্শন ক্যাম্পেইন

ফেসবুকের অ্যাড ক্যাম্পেইনের উপযোগিতা এবং যথার্থতা নির্ধারণ করতে এই অ্যাড অবজেক্টিভ ব্যবহার করা হয়।

এজন্য আপনার ফেইসবুক পিক্সেল যুক্ত থাকা প্রয়োজন। ফেইসবুক পিক্সেল যুক্ত করতে হলে অবশ্যই আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে।

কনভার্শন

একটি অ্যাড চালানোর পরে ঠিক কি পরিমাণ টার্গেট অডিয়েন্স আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করছে সেটি জানা সম্ভব।

এর মাধ্যমে রিটার্ন অফ ইনভেস্টমেন্ট বের করা সম্ভব । তবে আপনাকে খেয়াল করতে হবে আপনার ইকমার্স ওয়েবসাইট টি অবশ্যই যেন ফেইসবুক পিক্সেল ব্যবহার করার উপযোগী হয়।

ক্যাটালগ সেল

এই অ্যাড অবজেক্টিভ এর মাধ্যমে সরাসরি একজন অডিয়েন্সকে নির্দিষ্ট একটি ছবি বা প্রডাক্ট ক্যাটালগে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের আগ্রহের উপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার প্রডাক্ট আগ্রহী দর্শকদের দেখাবে। 

কারা কারা আপনার ক্যাটালগ এর প্রতি আগ্রহী সেটি ফেসবুক বের করে আপনার পেইজে যুক্ত থাকা পিক্সেল এর মাধ্যমে।

স্টোর ভিজিট

এই অ্যাড অবজেক্টিভ এর মাধ্যমে ফেসবুক আপনার শোরুম বা দোকানের অবস্থান কাস্টমারদের সামনে উপস্থাপন করে এবং তাকে আপনার শোরুমে বা দোকানে যেতে  জন্য লোকেশন টেকনোলজির মাধ্যমে গাইড করে।

 

 

২। আপনার অডিয়েন্স কোথায় রয়েছে সেটি বিবেচনা করুন

ফেসবুক একটি অ্যাড ভিন্ন ভিন্ন স্থানে প্রদর্শন করে। অ্যাড অবজেক্টিভ এর উপর ভিত্তি করে ফেসবুক একটি অ্যাড সর্বোচ্চ ১২টি অবস্থানে দেখাতে পারে। 

এখানে অবস্থানগুলো হতে পারে নিউজফিড, হতে পারে মেসেঞ্জার, ডান সাইডের কলাম ইত্যাদি।

ফেসবুকের অ্যাড এর অবস্থানের ভিন্নতা অনুযায়ী এর প্রদর্শন বিভিন্ন রকম হতে পারে।

বর্তমান সময়ে মানুষ ফেসবুকের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রাম ও মেসেঞ্জারে বেশি পরিমাণে একটিভ থাকে।

আপনি যদি জানেন আপনার বিজনেসের জন্য টার্গেট অডিয়েন্স কারা এবং তারা কোথায় বেশি সময় ব্যয় করে তবে সেই স্থানে আপনার একটি প্রদর্শন করলে সেটি সফল হবে।

নিউ অডিয়েন্স

যখন আপনি একটি অ্যাড পরিচালনা করছেন তখন সেই অ্যাড আপনি কি বর্তমান অডিয়েন্সদের দেখাতে চান? নাকি নতুন অডিয়েন্স দের দেখাতে চান?

ফেসবুকের অডিয়েন্স অপশন আপনাকে ভিন্ন ভিন্ন অডিয়েন্স গ্রুপের কাছে অ্যাড আছে দেওয়ার সুবিধা প্রদান করে।

চাইলে শুধুমাত্র নতুন কাস্টমারদের অ্যাড দেখাতে পারবেন।আবার  শুধুমাত্র আপনার পেইজের সাথে যুক্ত দর্শকদের অ্যাড দেখাতে পারবেন।

আবার একসাথে নতুন এবং বর্তমান দর্শকদেরও একসাথে অ্যাড দেখানো সম্ভব।

মনে রাখা ভাল, একটি অ্যাডের কার্যকারিতা নির্ভর করে উঁচুমানের ছবি বা ভিজুয়াল এর উপরে। তাই সব সময় চেষ্টা করবেন হাই কোয়ালিটি ছবি ও ভিজুয়াল ব্যবহার করতে। এটি একটি অ্যাডের পারফর্মেন্স ৭৫ থেকে ৯০ শতাংশ বাড়িয়ে তোলে।

রিটার্নিং ভিজিটর

নতুন কাস্টমারদের টার্গেট করার থেকে রিটার্নিং কাস্টমারদের টার্গেট করা অনেক সহজ এবং এতে অ্যাড খরচ কম হয়।

ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকা পিক্সেল একটি অ্যাডের  সমস্ত ধরনের অডিয়েন্স ইন্টারেকশন ৩০ দিন পর্যন্ত  রেকর্ড রাখে।  

পরবর্তী সময়ে আপনি চাইলে নির্দিষ্ট একটি অ্যাড এর সাথে ইন্টারআক্ট করা দর্শকদের আপনি পুনরায় নতুন একটি এড সফলভাবে দেখাতে পারবেন।

অনেক সময় এমন হয়, একজন অডিয়েন্স ফেইসবুক এ কম সময় দেয় কিন্তু ইনস্টাগ্রামে বেশি সময় ব্যয় করে।

এই অ্যাড ক্যাম্পেইন একজন দর্শককে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে অ্যাড দেখানোর মাধ্যমে এঙ্গেজ করে। 

৩। এমন একটি এড তৈরি করুন যা প্রতিক্রিয়াশীল

একটি সফল ফেসবুক অ্যাড এর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে প্রতিক্রিয়াশীল অ্যাড।

আপনি কি ধরনের এড কপি তৈরি করছেন তার ওপর নির্ভর করে যদি অ্যাড ক্যাম্পেইন  টাইপ সিলেক্ট করেন তাতে কাস্টমারদের এনগেজমেন্ট  বেশি হয়।

ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের ক্যাম্পেইন  টাইপ ফরমেট রয়েছে। সেগুলো কখন ব্যবহার করতে হয়?

কখন ছবি ব্যবহার করবেন

সিঙ্গেল ইমেজ টাইপ অ্যাড ফরমেট ব্যবহার করতে পারেন যদি আপনি শুধু ছবি পোস্ট করেন।

আপনি একসাথে দুটি অথবা তিনটির বেশি ছবি গ্রুপ আকারে পোস্ট করতে পারেন। ফেইসবুক স্বয়ংক্রিয়ভাবে সবথেকে বেশি পারফরম্যান্স করা ছবিটি সর্বপ্রথমে প্রদর্শন করবে।

ক্যারোজেল অ্যাড

যদি একটি সিঙ্গেল এডে অনেকগুলো ছবি ব্যবহার করতে চান, তবে ক্যারোজেল অ্যাড ব্যবহার করতে পারেন।

অনেক সময় একটি প্রোডাক্টের একটি মাত্র ছবি দিয়ে প্রোডাক্ট বর্ণনা করা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে একাধিক ছবির প্রয়োজন পড়ে। এ ধরনের এড চালানোর জন্য এই ফরম্যাট উপযুক্ত।

কখন ভিডিও ব্যবহার করবেন

প্রোডাক্ট রিভিউ, ইন্ট্রু ভিডিও, প্রোডাক্ট এক্সপ্লেইন ভিডিও প্রমোট করতে চাইলে ভিডিও ব্যবহার করুন। সমসাময়িক সময়ে ফেসবুক ভিডিও অ্যাড তৈরি ও প্রমোট করাকে বেশি উৎসাহিত করছে। 

অফার অ্যাড কখন তৈরি করবেন

কল টু অ্যাকশন এর জন্য অফার অ্যাড দারুন।

কোন নির্দিষ্ট প্রোডাক্টে ছাড় দিচ্ছেন, কাস্টমারদের কুপন দিচ্ছেন, অথবা ডিসকাউন্ট প্রদান করছেন এইসব ক্ষেত্রে অফার অ্যাড ব্যবহার করতে হবে। অফার এড পরিচালনা করতে হলে অবশ্য একটি স্পেশাল মূল্য এবং সময়সীমা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

অফার অ্যাড লম্বা সময়ের জন্য রান করানো বুদ্ধিমানের কাজ নয়। যত কম সময় অফার অ্যাড চালাবেন সেটার প্রতি মানুষের আগ্রহ ততবেশি তৈরি হবে।

ক্যানভাস অ্যাড

ফেসবুক অ্যাড এর একটি যুগান্তকারী সৃষ্টি ক্যানভাস অ্যাড।

 

ফুলস্ক্রীন অডিও ভিজুয়ালের  সাথে টেক্সট ব্যবহার করে  প্রডাক্ট কে চমৎকার ভাবে বর্ণনা করা সম্ভব এবং রয়েছে কল টু অ্যাকশন। এতে সহজেই একজন কাস্টমার কে সরাসরি কেনাকাটা করতে উৎসাহী করা যায়।

কিছু ক্যানভাস অ্যাড এর উদাহরণ দেখুন

পরিশেষে,

পরবর্তী সময়ে যখন আপনি একটি নতুন এড ক্যাম্পেইন চালাতে যাচ্ছেন সে সময় সে সময় নিজেকে তিনটি প্রশ্ন করবেন।

  1. আমার উদ্দেশ্য কি? 
  2. আমি কাদের কাছে পৌছাতে চায়? 
  3. আমার অ্যাড কি তাদের প্রতিক্রিয়াশীল করে তুলতে সক্ষম?

এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর আপনার পরবর্তী অ্যাড অবজেক্টিভ, ক্যাম্পেইন টাইপ, অডিয়েন্স টার্গেট এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যাড ফরমেট থেকে উপযুক্ত “সেট অফ অ্যাকশন” বেছে নিতে সাহায্য করবে।

অবশ্যই মনে রাখবেন একটি হাই কোয়ালিটি ভিজুয়াল অ্যাড পারফরম্যান্সের আমুল পরিবর্তন করে দিতে সক্ষম।

অ্যাড পরিচালনায় যত বেশি সম্ভব “ক্রিয়েটিভ” এর প্রতি যত্নশীল হোন। 

নির্ধারণ করুন আপনার উপযুক্ত অ্যাড অবজেক্টিভ এবং আপনার ফেসবুক অ্যাডকে সফল করে তুলুন। শেয়ার করুন আমাদের সাথে আপনার ফেইসবুক অ্যাড এর অভিজ্ঞতা।

বুস্ট পোষ্ট নাকি ফেসবুক অ্যাড: পারফরমেন্স ভালো করতে কোনটি বেশি উপযোগী 

বুস্ট পোষ্ট নাকি ফেসবুক অ্যাড: পারফরমেন্স ভালো করতে কোনটি বেশি উপযোগী 

বুস্ট পোষ্ট শব্দটির সাথে আমার সবাই পরিচিত। যদি আপনার একটি ফেইসবুক পেইজ থেকে থাকে, তবে এতদিনে আপনি নিশ্চয় এটি বুঝে গেছেন ফেইসবুক অডিয়েন্স এর কাছে রিচ করা কত কঠিন।

ফেসবুক পেজে শেয়ার করা পোস্ট গুলো আপনার পেজের মোট অডিয়েন্সের ১ থেকে ৫ শতাংশ মানুষই কেবল দেখতে পায়। তবে সঠিক সংখ্যাটি কত – এটি ফেসবুকের একটি বড় রহস্য।  

তাই যদি আপনি ফেসবুক অ্যাড  বা পোস্ট বুস্ট এর জন্য টাকা খরচ না করেন, তবে আপনার পোস্টটি খুব বেশি মানুষের কাছে পোঁছাবে না। 

কিন্তু তা সত্ত্বেও ফেইসবুক ‘মার্কেটিং’ এর জন্য একটি অসাধারণ টুল।

আপনার ফেসবুক প্রোমোশনের পারফরমেন্স বাড়াতে কোনটি অধিক উপযুক্ত – ফেসবুকের বুস্ট পোষ্ট বাটন ব্যবহার করে পোস্ট বুস্ট করা, নাকি অ্যাড ম্যানেজার ব্যবহার করে ফেসবুকে অ্যাড দেয়া। 

প্রথমে জানতে হবে ফেসবুকের “বুস্ট পোস্ট” বিষয়টি কি?

ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করার পরে ঠিক নিচের দিকে একটি সবুজ বাটন খেয়াল করা যায়। যেখানে লেখা থাকে বুস্ট পোস্ট।

এই বুস্ট পোস্ট বাটনে ক্লিক করলে কিছু লিমিটেড টার্গেটিং অপশন থাকে যেগুলো সিলেক্ট করার মাধ্যমে পোস্টটি বুস্ট করা সম্ভব।

বুস্ট পোস্ট যে লিমিটেড সংখ্যক অপশনগুলো আপনাকে দেয় তার একটি ছবি নিচে দেওয়া হল।

আপনি যদি চান আপনার পোস্টটি খুব সহজে বুস্ট করতে এবং কিছু সাধারণ টার্গেটিং অপশন,  যেমন বয়স ভিত্তিক টার্গেটিং, লোকেশন ভিত্তিক টার্গেটিং ও কিছু সাধারন ইন্টারেস্ট টার্গেটিং সিলেক্ট করে তারপর বাজেট এবং টাইম নির্ধারণ করে বুস্ট করতে, তবে এটি সব থেকে সহজ পদ্ধতি।

প্রচলিত যে ভুল

অনেকেই বলেন – বুস্ট পোস্ট কোন কাজে দেয় না। এটি দ্বারা রিচ হয় না, কাস্টমার এঙ্গেজ হয় না – এ ধরনের তথ্য সম্পূর্ণ ভুল।

বুস্ট পোষ্ট দ্বারাও কাস্টমার এঙ্গেজ করা যায় – কিন্তু এখানে যে বিষয়টি বুঝতে হবে সেটি হচ্ছে ‘সীমিত উপায়ে’।

বুস্ট পোস্ট শুধু মাত্র আপনাকে ‘এনগেজমেন্ট’ এনে দেবে – আপনি প্রচুর লাইক বা কমেন্ট পাবেন আপনার পোস্টে। কিছু মেসেজও আপনি পাবেন। 

বিজনেসের প্রথম দিকে মানুষকে আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে জানানোর জন্য “বুস্ট পোস্ট” বেশ ভালো।

কিন্তু যখন আপনি সেল করতে চাইবেন তখন আর বুস্ট পোস্ট আপনার কাঙ্খিত রেজাল্ট এনে দিতে পারবে না। 

ফেসবুকের সমস্ত টার্গেটিং অপশন আপনি এখানে পাবেন না। ফলে আপনি সম্ভাব্য কাস্টমারদের স্বল্প খরচে রিচ করতে পারবেন না। 

 

যদি আপনার লক্ষ্য থাকে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিজনেস করা এবং কাঙ্ক্ষিত সেল নিয়ে আসা, তবে আপনাকে ফেসবুক অ্যাড ম্যানেজার ব্যবহার করে ফেসবুক অ্যাড চালাতে হবে।

 

অ্যাড ম্যানেজার ফেসবুকের একটি অসাধারন মার্কেটিং টুল। অ্যাড ম্যানেজার ব্যবহারে ফেসবুকের সমস্ত প্রকার টার্গেটিং অপশন ব্যবহার করার সুযোগ আপনি পাবেন। 

এতে আপনার বিজনেস এর জন্য কাস্টমার খুঁজে পাবার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি থাকে।

এড ম্যানেজার ব্যবহারে ক্রিয়েটিভ পোস্ট চমৎকার উপায় উপস্থাপনার সুযোগ রয়েছে।

অ্যাড ম্যানেজার ব্যবহারের আরেকটি বড় সুবিধা হচ্ছে আপনার অ্যাড দেবার যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য, সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য ধাপে ধাপে একটি এড পরিচালনা করা সম্ভব।

একজন কাস্টমার একটি পোস্ট দেখার পর পরেই আপনার থেকে কেনাকাটা করা শুরু করবে না।

প্রাথমিক পর্যায়ে ব্র্যান্ড অ্যাওয়ারনেস তৈরি করা। তারপরে সম্ভাব্য কাস্টমারদের এঙ্গেজ করে রাখা এবং পরবর্তী ধাপে তাদের থেকে সেল নিয়ে আসার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সেলস ফানেল তৈরি করতে অ্যাড ম্যানেজার দারুন সহায়ক।

 

 

ছবিঃ এড ম্যানেজারের প্যানেল

১ ছবিঃ  এড ম্যানেজারের ফিচার  

২ ছবিঃ  এড ম্যানেজারের ফিচার  

৩ ছবিঃ  এড ম্যানেজারের ফিচার  

৪ ছবিঃ  এড ম্যানেজারের ফিচার  


ছবিগুলো থেকে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন এড ম্যানেজার দিয়ে অনেক ডিটেইল টার্গেটিং সম্ভব সাথে একটি ইফেক্টিভ সেলস ফানেল ক্রিয়েট করা যায়।

বুস্ট পোষ্ট কি সেই অপশনটি আপনাকে দেয়?  উত্তরঃ দেয় না।

তাহলে কোন পদ্ধতি আমার জন্য সঠিক

বিজনেসের প্রথম দিকে সহজেই কিছু এনগেজমেন্ট আনার জন্য বুস্ট পোস্ট ব্যবহার করতে পারেন।

তবে যদি ফেইসবুক আপনার সেলস এর অন্যতম প্রধান চ্যানেল হয়ে থাকে তাহলে আপনাকে অবশ্যই অ্যাড ম্যানেজার ব্যবহার করতে হবে ।

অ্যাড ম্যানেজারের ডিটেইল টার্গেটিং অপশন, প্লেসমেন্ট অপসন, বাজেট কন্ট্রোল অপসন, ক্রিয়েটিভ প্রেজেন্টেশন অপসন  এর মাধ্যমে ফেসবুকের অ্যাড পরিচালনা আপনার বিজনেসের জন্য সঠিক পদ্ধতি।

ইকমার্সের লোকাল মার্কেটিং: নিজ এলাকার কাস্টমারদের কাছে বিজনেস করার কৌশল

ইকমার্সের লোকাল মার্কেটিং: নিজ এলাকার কাস্টমারদের কাছে বিজনেস করার কৌশল

কোভিড ১৯ এর এই সংকটময় সময়ে ইকমার্সের লোকাল মার্কেটিং কৌশলে কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই সময়ে লোকাল মার্কেটিং কৌশলে গুরুত্ব দেওয়া সব থেকে বেশি প্রয়োজন।

কিন্তু আমি লোকাল মার্কেটিং নিয়ে কথা কেন বলছি?

করোনাকালীন সময়ে বৈশ্বিক ব্যবসার পরিস্থিতিতে যে পরিবর্তন ঘটছে তার সাথে মানিয়ে নিতে হলে সবার আগে মানিয়ে নিতে হবে লোকাল মার্কেটিং এর কৌশলগত পরিবর্তনের সাথে। 

কেন এবং কীভাবে লোকাল এরিয়াতে বিজনেসটিকে মানিয়ে নিতে সক্ষম হবেন? 

ইকমার্সের লোকাল মার্কেটিং কি?

এটি মার্কেটিং কৌশল এর একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আপনি লোকাল কাস্টমারদের নিজের দিকে আকৃষ্ট করতে পারেন।

ঘরে থাকাকালীন সময়ে মানুষ সব থেকে বেশি খোঁজে তার আশেপাশের বিজনেস হাব গুলোকে।এ সময় মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না তাই তার আশেপাশের রিটেলগুলো তাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

কেন লোকাল রিটেলশপ গুরুত্বপূর্ণ? 

বাইরে গন জমায়েত নিষিদ্ধ, শপিং মল,  সুপারশপ সহ বড় বড় সব রিটেল প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ।

এই সময়ে মানুষ বাসা থেকে কাজ করছে। মেনে চলছে সামাজিক দূরত্ব।

ফলে, যখনই তাদের কিছু কেনাকাটা প্রয়োজন পড়ছে তারা লোকাল মার্কেটের যে রিটেল শপগুলো রয়েছে কেনাকাটার জন্য তাদেরকে প্রাধান্য দিচ্ছে সবার আগে।

আপনি নিজেও খেয়াল করলে দেখবেন, আপনি এই করোনা কালীন সময়ে আপনার আশেপাশের সেই সকল রিটেল শপগুলো কে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। যেগুলো থেকে এর আগে কখনো কেনাকাটা করেননি। 

শুধুমাত্র আপনি নন বর্তমান সময়ে সবাই একই উপায়ে কেনাকাটা করছে।

লোকাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব এখানেই। আপনি কি ধরনের প্রোডাক্ট বিক্রি করছেন সেগুলো যদি আপনার আশেপাশের মানুষ জানতে পারে তবে তাদের প্রয়োজনে আপনাকে খুজে নেবে।

লোকাল কাস্টমার যেন আপনাকে খুব সহজে খুঁজে পায় সে ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

কীভাবে আপনার বিজনেসকে লোকালাইজড করবেন?

আপনি কী ধরনের প্রোডাক্ট নিয়ে বিজনেস করছেন সেটির তথ্য আপনাদের কাস্টমার কাস্টমার কে প্রতিনিয়ত দেয়ার মাধ্যম দিয়ে আপডেট থাকতে হবে? সেজন্য অনলাইনে আপনার বিজনেস এর সমস্ত তথ্য করতে হবে হালনাগাদ।

চলুন জেনেনিম কীভাবে সেটা করবেন।

বিজনেস ওয়েবসাইট

অনলাইন বিজনেস এর কথা যখনই আসে প্রথম যে কথাটি মাথায় আসে সেটি হচ্ছে বিজনেস ওয়েবসাইট।

একটি ওয়েবসাইট বিজনেস এর যাবতীয় তথ্যের উৎস। তাই প্রথমেই আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে আপনার একটি ওয়েবসাইট রয়েছে।

ওয়েবসাইটে স্টোর ম্যাপ যোগ করুন

আপনার ওয়েবসাইটে যখন একটি ম্যাপ যুক্ত থাকবে তখন কাস্টমার খুব সহজেই বুঝতে পারবে যে তার আশেপাশে আপনার বিজনেসের অবস্থান ঠিক কোথায়?

এটি আপনার রিটেল শপকে খুঁজে পাওয়ার জন্য খুব সহজ এবং দ্রুততম পদ্ধতি। কাস্টমার চাইলে ম্যাপ ফলো করে আপনার শপে সরাসরি পৌঁছে যেতে পারে।

বিজনেস ওয়েবসাইটটিকে লোকালাইজড করার জন্য যে কৌশলটি সবথেকে বেশি কার্যকরী সেটা হচ্ছে নেম ড্রপিং।

অনেকেই হয়তো নেম ড্রপিং টার্ম টির সাথে পরিচিত নন।

একটি উদাহরণ দিয়ে বলার চেষ্টা করি, মনে করুন আপনার শপ স্থানীয় স্টেডিয়ামের  অপজিটে।

সে ক্ষেত্রে আপনি যখন ম্যাপে আপনার শপের নাম যুক্ত করবেন তখন তাদের সেটি খুঁজে পাওয়ার সুবিধার্থে আপনি বলে দেবেন সেটির আশেপাশে কোন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নাম যা সহজেই খুজে পাওয়া যায়।

এক্ষেত্রে বলবেন, শপ X স্টেডিয়ামের  অপজিটের বিল্ডিং এর  দ্বিতীয় তলায়

যেহেতু স্টেডিয়ামের মতো স্থাপনা অনেকের কাছেই পরিচিত তাই খুব সহজেই মানুষ সেটি খুঁজে পাবে এবং সাথে খুঁজে পাবে আপনার শপটি। 

অনলাইন লিস্টিং এবং রিভিউ 

বর্তমানে মানুষ কিছু কেনাকাটা করলেই প্রথমেই  গুগোল করে। তারা আশেপাশের কিছু খুঁজে পেতে লিখে, nera me 

মনে করুন, কেউ একটি হেয়ার সেলুন খোঁজ করছে। সে গুগলে লিখবে হেয়ার সেলুন নেয়ার মি?

এটা লিখলে তার আশেপাশের সমস্ত হেয়ার সেলুন এর ঠিকানা ম্যাপে ভেসে উঠবে। তার সব থেকে নিকটতম প্রতিষ্ঠানটি থাকবে সবার উপরে। সেখানে দোকানের ঠিকানা, ফোন নাম্বার, কতক্ষণ খোলা থাকে সবকিছু স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে। সাথে থাকে কাস্টমার রিভিউ।

তাই লোকাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনার অনলাইন লিস্টিং গুলো নিয়মিত পরীক্ষা করবেন।

 

 

ফিজিক্যাল লোকেশন

যদিও লোকাল মার্কেটিং কৌশল পরিবর্তিত হচ্ছে তবু এটি সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন সাধিত এখনো হয়নি।

একটি প্রোডাক্ট এর প্রয়োজন হলে আমরা মনে মনে সেটি খুঁজতে। আশেপাশের দোকানগুলোতে ওর সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় আমরা লক্ষ্য করি সেই জিনিসটি সেখানে আছে কিনা। অনেক সময় সেটি আমরা পায় আবার কখনও কখনও আমরা পায় না।

আপনার যদি একটি ফিজিক্যাল শপ থাকে তাহলে আপনি সেটি অনলাইনে লিস্টিং করে রাখতে পারেন।

আপনার দোকানে কি ধরনের প্রোডাক্ট বিক্রি হয় তার একটু ধারণা সেখান থেকে আসতে পারেন।

এতে কাস্টমারদের পক্ষে খুব নির্দিষ্টভাবে আপনাকে খুঁজে পাওয়া সহজ হয়ে যাবে।

যেহেতু অনলাইনে ম্যাপ সুবিধা রয়েছে ফলে আপনার বিজনেস লোকেশন এর কাস্টমার কিভাবে যেতে পারে সে বিষয়ে তার একটা পরিষ্কার ধারণা পেয়ে যাবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া,ওয়েবসাইট গুগোল লিস্টিং এ আপনার ঠিকানা উল্লেখ থাকলে কাস্টমারদের কাছে আপনার দৃশ্যমানতা বেড়ে যাবে।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম

যেহেতু মানুষ এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশি পরিমাণ সময় দিচ্ছে। এতে করে তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার দৃশ্যমানতা থাকলেই আপনার বেচাকেনা হবে বিষয়টি এমন নয়।

কাস্টমারদের কে যুক্ত করে রাখা তাদের সাথে যোগাযোগ এবং মার্কেটিং জন্য একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমান সময়ে কাস্টমার সাপোর্ট এর ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার প্রচুর পরিমাণে হচ্ছে।

ফলো এন্ড সাবস্ক্রাইব

সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি পেইজ খোলার পরপরই আপনার পরিচিতদের সেটাতে লাইক এবং ফলো করার জন্য ইনভাইট করবেন।

সবাইকে একত্রিত করা

আপনি একটি ফেসবুক গ্রুপ খুলতে পারেন যেখানে কাস্টমাররা যুক্ত হবে এবং তারা আপনার প্রোডাক্ট কিংবা তাদের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কথা বলতে পারে।

সাপোর্ট, শেয়ার, প্রোমোট

সহযোগিতা করলে সহযোগিতা পাবেন। কাস্টমারদের যেকোনো ধরনের জিজ্ঞাসা সমস্যার সমাধানে সহযোগিতা করুন। এতে আপনার সম্পর্কে তাদের ইতিবাচক ধারণা জন্ম নিবে।

লোকাল বিজনেস রিলেটেড যে কোন ধরনের তথ্য ব্যক্তিগত পেজে অথবা পরিচিত জনদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

এতে অনেক মানুষ তথ্যটি দেখতে পাবে এবং আপনার সম্পর্কে জানবে।

শুধু নিজের বিজনেস নয় অন্যর বিজনেস কেউ প্রমোট করুন।

এতে করে অন্যরাও আপনার বিজনেসকে প্রোমোট করার জন্য আগ্রহী হবে এবং একে অপরের সহযোগিতার মাধ্যমে আপনার লোকাল বিজনেসটি ধীরে ধীরে বেড়ে উঠবে।

৮০/২০ রুলস

লোকাল মার্কেটিং এ ৮০ ভাগ সময়ই চেষ্টা করবেন কাস্টমার কনভারসেশন বাড়ানোর দিকে মনযোগী হতে। 

মানুষ যত বেশি কথা বলবে তারা ততো বেশি এনগেজ থাকবে।

বিজনেস এর বাইরের বিভিন্ন ধরনের তথ্য নিয়মিতভাবে প্রদান করুন।

২০% সময় খুব কৌশলে আপনি আপনার প্রোডাক্ট বেচাকেনা নিয়ে কথা সম্পর্কে বলবেন। এতে করে কাস্টমার আপনাকে একঘেয়ে বা বিরক্তকর মনে করবে না। 

পরিশেষে, 

ইকমার্সের লোকাল মার্কেটিং কৌশল অন্যান্য মার্কেটিং এর থেকে ভিন্ন কিছু নয়। পার্থক্য শুধু আপনি আপনার আশেপাশের লোকাল কাস্টমারদের দিকে বেশি পরিমাণে প্রাধান্য দিচ্ছেন।

বিশ্ব পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, মার্কেটিং এর মূল উদ্দেশ্যই কাস্টমারদের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা।

আপনি যদি লোকাল কমিউনিটির সাথে শক্ত একটি সম্পর্কের জায়গা তৈরি করতে পারেন। তবে আপনার বিজনেস নিঃসন্দেহে বেড়ে উঠবে। 

মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার ৮ টি সেরা সফটওয়্যার

মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার ৮ টি সেরা সফটওয়্যার

প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং ব্যয়বহুল। বর্তমান সময়ে প্রতিটি ক্ষুদ্র এবং মাঝারি উদ্যোক্তাদের হাতে স্মার্টফোন রয়েছে। ফলে আপনি চাইলেই খুব সহজে আপনার বিজনেসের জন্য প্রফেশনাল মানের ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করতে পারবেন।  

ফেসবুক বা ইউটিউব, ভিডিও মার্কেটিং প্রতিটি জায়গায় সমান জনপ্রিয়। The State of Video Marketing in 2019 HubSpot দ্বারা পরিচালিত একটি জরিপে বলা হয়েছে, ৮৭% কাস্টমার বলছে তারা একটি ব্র্যান্ডের কাছ থেকে ভিডিও কনটেন্ট দেখতে চায়।

আজ ৮টি ইউজার ফ্রেন্ডলি ভিডিও এডিটিং মোবাইল অ্যাপস নিয়ে কথা বলবো এবং জানাবো তাদের ফ্রি এবং পেইড ভার্সন গুলোর ফিচার সম্পর্কে। 

আপনি যদি বিজনেস এর ভিডিও কনটেন্ট নিয়ে পরিকল্পনা করেন আর ভিডিও কনটেন্ট যদি মোবাইলেই এডিট করতে চান তবে এই ৮ টি মোবাইল এ্যাপ বা সফটওয়্যার এর লিস্ট আপনার জন্য দারুন উপকারী হতে চলেছে।

মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার ৮ টি সেরা সফটওয়্যারগুলো হলো-

  1. GoPro
  2. Adobe Premiere Clip
  3. InShot
  4. kinemaster
  5. wevideo
  6. PicPlayPost
  7. Magisto
  8. Filmorago

নিচে মোবাইলে ভিডিও এডিট করার প্রতিটি সফটওয়্যার (মোবাইল এ্যাপ) সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

১. GoPro

যেকোনো সময় যেকোনো অবস্থায় ভিডিও এডিট করার জন্য দারুন একটি অ্যাপ GoPro 

খুব সাধারণভাবে ধারণকৃত একটি ভিডিও খুব দ্রুত এডিট করে পোস্ট করা সম্ভব হয় এ ভিডিও এডিটর এর মাধ্যমে। একটি ভিডিও ফুটেজের সব থেকে ভালো মুহূর্তটি খুঁজে বের করে সেটি অটোমেটিক ভাবে এডিট ও ট্রানজিশন অ্যাড করার মাধ্যমে এটিকে প্রফেশনাল আকার দেয়। এটির রয়েছে ম্যানুয়াল এডিট ফাংশন সুবিধা।

Feature

  • ছবি যোগ করতে পারবেন।
  • টাইম ল্যাপস সিকোয়েন্স করা যায়।
  • শতাধিক ফ্রি গান অ্যাক্সেস করা যায়।
  • অটোমেটিক ভাবে ভিডিও থেকে গান সিঙ্ক হয়ে যায়।
  • আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা এডিটিং অ্যাসিস্ট্যান্স গাইড করা হয়।
  • বিভিন্ন ধরনের টেক্সট ফ্রন্ট এবং ইমোজি রয়েছে।

এটি  iOS and Android এ এভেলেবেল।

এটির ফ্রি বেসিক প্ল্যান রয়েছে। ব্যবহারকারী চাইলে এটাকে আপগ্রেড করার মাধ্যমে এর সুবিশাল মিউজিক লাইব্রেরি এবং প্রিমিয়াম সাপোর্ট পেতে পারেন। সেজন্য আপনাকে প্রতি মাস ৪.৯৯ ডলার খরচ করা লাগবে। 

আপনি যদি চান অটোমেটিকভাবে খুব দ্রুত একটি ভিডিও এডিটিং টুলস তবে এটি আপনার জন্য।

২. Adobe Premiere Clip

এই ভিডিও এডিটিং অ্যাপটি আপনি দুটি মুডে পাবেন। এর সম্পূর্ণ অটোমেটিক ভিডিও ক্লিপকে ট্রিম করার পরে সেটিকে অটোমেটিকলি ট্রানসফর্ম করে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট এর মাধ্যমে  পোস্ট করার উপযোগী করে তোলে।

আর ফুললি কাস্টমাইজড মুডে আপনি ইচ্ছে মত ডিজাইন ও মিউজিক ব্যবহার করতে পারবেন।

সাউন্ড ট্র্যাক তৈরি করার জন্য Adobe Premiere Clip এ রয়েছে একটি বিল্ট-ইন মিউজিক লাইব্রেরি।

Feature

  • ছবি এবং ক্লিপ drag-and-drop করতে পারবেন।
  • এক্সপোজার লাইট এবং সাউন্ড লেভেল অ্যাডজাস্ট করতে পারবেন।
  • অটো মিউজিক মিক্স সুবিধা পাবেন।
  • টাইটেল ট্রানজিশন স্লো মোশন  ইফেক্ট যোগ করতে পারবেন।
  • এটি ক্লাউড সাপোর্টেড।
  • যেকোনো অ্যাডোব প্রোডাক্টের সাথে সিঙ্ক  করা যায়।

এটিও আপনি android এবং ios ভার্সনে এভেলেবেল পাবেন।

যারা খুবই সহজ  মোবাইল ভিডিও এডিটিং অ্যাপ খুঁজছেন তাদের জন্য এটি উপযুক্ত।

৩. InShot

আপনি যদি ইনস্টাগ্রাম ভিডিও এডিটিং এর জন্য একটি সিম্পল ভিডিও এডিটর খুঁজে থাকেন তবে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ টুলস।

এটি দ্বারা খুব সহজে ভিডিও ক্লিপ ট্রিম করা যায়।, ভিডিও ফুটেজ এর স্পিড চেঞ্জ করা যায় এবং ফিল্টার যোগ করা যায়।

এটি দিয়ে আপনি আপনার ফুটেজটি রোটেট করতে পারবেন যেটি সব এডিটিং অ্যাপ দেয় না। গুগল প্লে স্টোরে এই অ্যাপটি হাই রেটেড এবং পপুলার চয়েসের তালিকায় রয়েছে।

Features

  • মিউজিক ইফেক্ট এবং ভয়েসওভার  দিতে পারবেন।
  • টেক্সট এবং ইমোজি ব্যবহার করতে পারবেন।
  • ভিডিও ইফেক্ট যোগ করা যায়।
  • খুব সহজে ভিডিও শেয়ার করা যায়।
  • ব্যাকগ্রাউন্ড Blur করা যায়।

এটি আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন অ্যাভেলেবল।

এটির বেসিক ফ্রি প্ল্যান রয়েছে। অ্যাপটি চাইলে কিনতে  পারবেন । 

ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং বা পার্সোনাল ইনস্টাগ্রাম পোস্টকারীদের জন্য এটি খুবই উপযোগী।

৪. kinemaster

আপনি যদি প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং অ্যাপ চান তবে কাইনমাস্টার হতে পারে সবথেকে শক্তিশালী মোবাইলে ভিডিও এডিটিং টুলস। এটি আপনাকে ফ্রেম বাই ফ্রেম ভিডিও এডিট করার সুবিধা দিবে।

কালার এডজাস্ট, ব্রাইটনেস এবং ভিডিও স্পিড প্রতিটি ফিচার আলাদা আলাদা ভাবে টিউন করার সুযোগ রয়েছে।

ভিডিওতে এই এডিটর দ্বারা আপনি অ্যানিমেশন এবং হ্যান্ড রাইটিং সহ সর্বোচ্চ ১০ টি লেয়ার যোগ করতে পারবেন

ভিডিও এডিটিং এর জন্য এই অ্যাপ আপনাকে সর্বোচ্চ সুবিধা প্রদান করে এবং এর ইউজার ইন্টারফেস সহজবোধ্য।

Features

  • অন্যান্য ভিডিও এডিটিং অ্যাপসের থেকে এটি  ফ্লেক্সিবল।
  • স্পেশাল ইফেক্ট এবং মিউজিক এখানে পাবেন।
  • টেক্সট গ্রাফিক ইমেজ রেকর্ডেড অডিও এবং হ্যান্ডরাইটিং এর লেয়ার যোগ করতে পারবেন।
  • এটি গ্রীন স্ক্রীন সাপোর্ট করে।
  • এখানে ইনস্ট্যান্ট প্রিভিউ অপশন পাবেন।

এটি android এবং ios ভার্সনে এভেলেবেল।

এর বেসিক ফ্রি প্ল্যান রয়েছে, তবে আপনি চাইলে এটিকে প্রো এডিশন এ আপগ্রেড করতে পারবেন যার জন্য আপনাকে প্রতি মাসে ৪.৯৯ ডলার খরচ করা লাগবে।

এডভান্স লেভেলের ভিডিও ক্রিয়েটর এর জন্য এটি আদর্শ।

৫. wevideo

যেসব ভিডিও এডিটর এডিটিং এর জন্য অনেক বেশি ফাংশন চান তাদের জন্য এই ভিডিও অফার করছে বেসিক এডিটিং ফিচারের  সাথে আরও অনেক বেশি ফিচার সুবিধা।

ক্লিপ ট্রিম করা, ফিল্টার যোগ করা, মিউজিক যোগ করার টেক্সট ট্রানজিশন এবং ভিডিও ইফেক্ট সবগুলো  সুবিধা এখানে পাবেন।

এই অ্যাপের প্রিমিয়াম প্ল্যানে আপনি অ্যাডভান্স ফিচারের সাথে সাথে পাবেন একটি বিশাল কমার্শিয়াল লাইসেন্স যুক্ত মিউজিক লাইব্রেরি এবং ভিডিওগুলো 4k রেজুলেশনের।

Features

  • সহজ এবং বোধগম্য ইউজার ইন্টারফেস।
  • ফ্রী প্লানে পাবেন ১ জিবি পর্যন্ত ক্লাউড স্টোরেজ।
  • রয়েছে এডিটিং মুড পছন্দ  করার সুবিধা।

এটি ios এবং android ভার্সনে এভেলেবেল পাবেন।

এর বেসিক ফ্রি প্ল্যান রয়েছে। ব্যবহারকারী চাইলে এটি আপডেট করে নিতে পারবেন প্রিমিয়াম ভার্সনে যার জন্য খরচ হবে প্রতি মাসে ৪.৯৯ ডলার

এক্সপেরিয়েন্স ইউজার যারা তাদের ভিডিওকে নেক্সট লেভেল নিয়ে যেতে চান তাদের জন্য এই অ্যাপসটি বেস্ট।

৬. PicPlayPost

ছবি থেকে ভিডিও অ্যানিমেটেড স্লাইড শো এবং কোলাজ তৈরি করার জন্য একটি অসাধারণ।সর্বোচ্চ ৩৬৫ ছবি ভিডিও গিফ , ভয়েস ওভার, সবকিছুকে একত্রিত করা যায়।

আপনি এখানে কাস্টম ওয়াটারমার্ক এর জায়গায় আপনার ব্র্যান্ডের লোগো ব্যবহার করতে পারবেন। পারবেন ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করতে।

Features

  • Mp4 অডিও সুবিধা রয়েছে
  • কাস্টমাইজেবল ভিডিও আউটপুট  সুবিধা পাবেন
  • ভিডিও স্পিড এডজাস্ট করা যায়
  • স্পিল্ট স্ক্রিন ট্রানজেকশন সুবিধা রয়েছে

android এবং ios ভার্সনে এই অ্যাপটি এভেইলেবল।

এটির বেসিক ফ্রি প্ল্যান রয়েছে চাইলে আপনি এই অ্যাপটি কিনতে পারেন।  

যারা ছবিগুলোকে ভিডিও ফরমেটে শেয়ার করতে চান তাদের জন্য এই অ্যাপটি বেস্ট। 

৭. Magisto

 

আপনি যদি খুব সহজ একটি ভিডিও এডিটিং অ্যাপ খুঁজে থাকেন তবে এটির আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স তিনটি সিম্পল স্টেপের মাধ্যমে মিনিটের মধ্যে একটি দারুণ কন্টেন্ট তৈরি করার সুবিধা আপনাকে দিবে।

আপনি শুধু এডিটিং স্টাইল, ফুটেজ এবং মিউজিক পছন্দ করবেন। এই টুলস অটোমেটিক ভাবে আপনার ভিডিও তৈরি করে দিবে। এই অ্যাপ থিম এর সাথে মিল রেখে মিউজিক সাজেস্ট করে। চাইলে আপনি আপনার মিউজিক লাইব্রেরি থেকেও মিউজিক ব্যবহার করতে পারেন।

এই অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোরে পপুলার চয়েস রয়েছে এবং এই অ্যাপটি ইউজার সংখ্যা ৯০ মিলিয়ন। 

Features

  • ফেসিয়াল রিকগনিশন ফিল্টার ইফেক্ট এবং অটো ক্রপিং সুবিধা পাবেন।
  • প্রফেশনাল  ভিডিও তৈরি করতে পারবেন।
  • এর অটো এডিটিং এবিলিটি অসাধারণ।
  • এখান থেকে বিভিন্ন মার্কেটিং চ্যানেলে আপনি ভিডিওটি ডিস্ট্রিবিউট করতে পারবেন।
  • আই স্টক ইন্টিগ্রেশন রয়েছে যার দ্বারা আপনি হাই কোয়ালিটির ডেস্কটপে ছবি এবং ভিডিও ফুটেজ ব্যবহার করতে পারবেন।

এটির ios এবং android ভার্সন রয়েছে।

এ রয়েছে বেসিক ফ্রী প্লান। আপনি চাইলে এর প্রিমিয়াম ভার্শন  ব্যবহার করতে পারবেন সেজন্য আপনাকে প্রতিমাসে ৪.৫৫ ডলার খরচ করা লাগবে।

খুবই দ্রুত প্রফেশনাল মানের ভিডিও তৈরি করার জন্য এই অ্যাপটি বেস্ট।

৮. Filmorago

আপনি যদি ইনস্টাগ্রাম স্টোরির জন্য ভিডিও এডিট করতে চান তবে এই অ্যাপটি আপনার জন্য অসাধারণ। 

এর মিউজিক লাইব্রেরি থেকে আপনি ফ্রি মিউজিক যোগ করতে পারবেন। এই অ্যাপ আপনাকে থিম, টেক্স্‌ টাইটেল এবং অন্যান্য এলিমেন্ট একসাথে যুক্ত করার সুবিধা দিবে।

Features

  • খুব সহজেই ভিডিও ট্রিম এবং স্পিড অ্যাডজাস্ট করতে পারবেন।
  • স্ক্রিনরেশিও এর সাথে ভিডিওটি অ্যাডজাস্ট এবং রোটেট করতে পারবেন।
  • এর ভিডিও স্পিড অ্যাডজাস্ট করতে পারবেন, স্লো মোশন, টাইম ল্যাপস সুবিধা পাবেন।
  • ভয়েস অভার এবং audio-track যোগ করতে পারবেন।
  • এটির ওয়াটারমার্ক লোগো নেই।

এটিও আপনি android এবং ios এর সাথে এভেলেবেল পাবেন।

এই অ্যাপটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।

টেক্সট থিম এবং অন্যান্য এলিমেন্ট যুক্ত করার মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ কাস্টমাইজ ভিডিও তৈরি করার জন্য একটি বেস্ট।

পরিশেষে

ভিডিও কনটেন্ট অডিয়েন্স এঙ্গেজ করার জন্য সবসময় সব থেকে শক্তিশালী। কিন্তু একটি প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিট করতে গেলে আপনাকে অনেক টাকা খরচ করতে হবে। 

স্মার্টফোনের এই যুগে আপনি চাইলেই একেবারে বিনামূল্যে কিংবা খুবই স্বল্প খরচে একটি প্রফেশনাল মানের ভিডিও এডিটিং করতে পারেন।

এটি একটি ক্ষুদ্র এবং মাঝারী উদ্যোক্তার ভিডিও মার্কেটিং খরচ  অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

তাই আর দেরি কেন আপনার ফোনটি হাতে নিন, লিস্ট থেকে পছন্দমতো অ্যাপ ডাউনলোড করুন।  আপনার ভিডিও রেকর্ড করুন, এডিট করুন, এবং শেয়ার করুন সোশ্যাল মিডিয়াতে এই অ্যাপ দিয়ে তৈরি আপনার বিজনেস এর বিজ্ঞাপন। 

কীভাবে আপনার ফেসবুক অ্যাড এর পারফর্মেন্স বাড়াবেন? 

কীভাবে আপনার ফেসবুক অ্যাড এর পারফর্মেন্স বাড়াবেন? 

আমাদের দেশে প্রায় ৭৫০০ প্রতিষ্ঠান ই-কমার্সের সঙ্গে যুক্ত। এ ছাড়া ফেসবুক পেজের মাধ্যমে এই ব্যবসায় যুক্ত প্রায় ২০ হাজারের বেশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা। (সূত্র: কালের কণ্ঠ

এই বিপুল সংখ্যক ইকমার্স উদ্যোক্তাদের একটা বড় অংশ তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য ফেসবুক অ্যাড ব্যবহার করেন।  

ফেসবুকে  অ্যাড দিতে  যে পরিমান টাকা  খরচ করছেন তার উপযুক্ত রিটার্ন (ROAS) পেতে ভালো অ্যাড পারফরম্যান্সের বিকল্প নেই। 

যদি দেখেন, আপনার ফেসবুক অ্যাড এর সঠিক ROAS (Return on Ad Spend)  নিশ্চিত করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে?  তাহলে নিজেকে নিচের ১০ টি প্রশ্ন করতে পারেন ।

আপনি কি সঠিক অবজেক্টিভ নির্ধারণ করেছেন?

আপনি যখন একটি ফেসবুক  অ্যাড চালাবেন তখন  প্রথম যে প্রশ্নটি নিজেকে করবেন, সেটি হচ্ছে আপনার অ্যাড অবজেক্টিভ ঠিক আছে কিনা? অ্যাড অবজেক্টিভ নিয়ে আপনাকে সচেতন হতে হবে। এই স্টেজে আপনি প্রথমেই ভুল করে দিলে সঠিক মানুষদের কাছে পৌঁছাতে পারবেন না।

কাস্টমার টার্গেটিং কি সঠিক করছি?

আপনার  টার্গেটিং সঠিক এবং ছোট আকারের না হলে  অডিয়েন্স গ্রুপ অনেক বেশি বড় হয়ে যাবে। এতে করে আপনি অ্যাড থেকে ভাল ফলাফল নিয়ে আসতে পারবেন না।

আপনার অডিয়েন্সকে খুব ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করুন। ফেসবুকের অডিয়েন্স টার্গেটিং অপশনটি ব্যবহার করে কাস্টমার গ্রুপকে ছোট ও আদর্শ করে নিয়ে আসুন। আপনি কয়েক ভাবে আপনার কাস্টমার গ্রুপ কে ছোট করে আনতে পারেন?

 

কাস্টম অডিয়েন্স,

এর মাধ্যমে আপনি বিজনেসের জন্য পছন্দমত অডিয়েন্সদের বেছে নিতে পারেন।

লুকালাইক অডিয়েন্স,

আপনার বর্তমান কাস্টমার গ্রুপের সাথে মিল রেখে ফেসবুক আপনাকে সঠিক কাস্টমার বেছে নিতে সাহায্য করবে।

ইন্টারেস্ট বেজড টার্গেটিং,

কাস্টমারদের পছন্দের ধরণ বা ভালো লাগা ও খারাপ লাগা অনুযায়ী আপনি অডিয়েন্স গ্রুপকে ছোট করতে পারেন।

ডেমোগ্রাফিক বেজড অডিয়েন্স,

এর মাধ্যমে আপনি আপনার কাস্টমার কাস্টমারদের বয়স,স্থান, এবং লিঙ্গ  ভেদে টার্গেট  করতে পারেন।

 

ফেসবুক অ্যাড বাজেট সেট ভুল হচ্ছে না তো?

অ্যাডের সঠিক বাজেট নির্ধারণ একটি অ্যাড এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাড চলাকালীন সময়ে আপনি আপনার বাজেট বারবার পরিবর্তন করলে এর ফলাফল খারাপ আসতে পারে।

এক্ষেত্রে, প্রথমে আপনি সবথেকে কম বাজেট সেট করবেন।  সেটা হতে পারে প্রতিদিন ২ ডলার।

এরপর, আপনি দেখবেন আপনার একটি কেমন পারফরম্যান্স করছে। পরবর্তীতে, আপনি প্রয়োজনমতো বাজেট বাড়িয়ে নেবেন। 

এতে করে, ফেইসবুক আপনার দেওয়া বাজেটের সাথে মিল রেখে সঠিক ভাবে বিড করতে সক্ষম হবেএবং অ্যাড সফল ভাবে চলবে।

পরবর্তীতে, আপনি আরো বেশি সংখ্যক কাস্টমারদের কাছে পৌঁছাতে চাইলে এড এর বাজেট বাড়িয়ে নেবেন।

এতে করে, আপনার দেয়া নতুন বাজেটের সাথে আপনার অ্যাড পরিচিত হয়ে উঠবে এবং সঠিকভাবে রান করবে।

আপনি এই কৌশল ব্যবহার করে বুঝতে পারবেন, বাজেটের পার্থক্য কেমন হলে অ্যাড কীভাবে পারফরমেন্স করে। 

আপনি জানেন কি? ন্যাশনাল কাস্টমারদের থেকে লোকাল কাস্টমারদের কাছে খুব অল্প খরচে অ্যাড দেওয়া যায় এবং দেখা গেছে রবিবার এবং সোমবারে অ্যাডের খরচ সবচেয়ে কম হয়

 

অ্যাডের প্লেসমেন্ট কি ঠিকঠাক হচ্ছে? 

ফেসবুকের অ্যাড প্লেসমেন্টের জন্য কয়েকটি অপশন রয়েছে। যেমন নিউজ ফিড, Right-hand কলাম, ফেইসবুক স্টোরি।

সঠিক প্লেসমেন্ট অ্যাডে বড় ধরনের পার্থক্য তৈরি করে। যদিও ফেইসবুক স্টোরি এবং রাইট-হ্যান্ড কলাম দ্বারা একই ধরণের কাস্টমারের কাছে পৌছাতে পারবেন তারপরেও নিউজ ফিডের অ্যাড প্লেসমেন্ট দ্বারা সর্বোচ্চ সংখ্যক কাস্টমারদের কাছে পৌঁছানো যায় এবং এর খরচ বাকি প্লেসমেন্ট থেকে বেশি।

এরপর থেকে যখন আপনি একটি অ্যাড পরিচালনা করবেন তখন প্রিভিউ দেখে নেবেন যে সেটি আপনার নিউজ ফিডে কীভাবে প্রদর্শিত হচ্ছে।

 

আপনার তৈরি অ্যাডটি কি আকর্ষণীয়?

যেকোনো অ্যাড এর মূল জিনিসটি হচ্ছে কন্টেন। কন্টেন বিভিন্ন ধরনের হতে পারে যেমন, গ্রাফিক্যাল বা ভিডিও।

কাস্টমার একুইজিশন মতে, যে ছবির ৭৫ থেকে ৯০ শতাংশ দৃশ্যমান থাকে সেটির পারফরম্যান্স অনেক ভালো আসে। যদি আপনার দেয়া ছবিটি আকর্ষণীয় না হয় তবে মানুষ সেটিতে ক্লিক করতে উৎসাহী হবে না।

এরপরে, আপনি যখন একটি ফেসবুক অ্যাড পরিচালনা করবেন তখন অবশ্যই যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন,

  • আপনি কি ভালো রেজুলেশনের অরিজিনাল ছবি ব্যবহার করছেন নাকি স্টক ছবি ব্যবহার করছেন?
  • অ্যাডের জন্য তৈরিকৃত ছবিটি কি ব্র্যান্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? 
  • আপনার তৈরি অ্যাড কি কাস্টমারদের ইতিবাচক ধারণা দেয়? 
  • তৈরিকৃত অ্যাডটি কি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মনোযোগ আকর্ষণের সক্ষম হবে? 

উদাহরণ হিসেবে নিচে দেয়া AirBnB এর ফেসবুক অ্যাডটি দেখুন,

 

ফেসবুকের নির্দেশনা মতে, একটি ইমেজে ২০ শতাংশের বেশি টেক্সট বা লিখা থাকা বাঞ্ছনীয় নয়।

 

 

আপনার অ্যাড টার্গেট অডিয়েন্সদের পছন্দের সাথে কি সামঞ্জস্যপূর্ণ ? 

অডিয়েন্সদের পছন্দের মাত্রা তুলে ধরতে ফেইসবুক একটি অ্যাডকে এক থেকে দশের মধ্যে স্কোরিং করে। আপনার অ্যাডের স্কোর যত কম হবে তার খরচ তত বেশি হবে।

তাই অবশ্যই, একটি অ্যাড ডিজাইন করার সময় আপনার কপিটি টার্গেট অডিয়েন্সদের পছন্দের সাথে মিল রেখে তৈরি করবেন এবং আপনার অ্যাডের টার্গেটিং এমনভাবে টিউন করবেন যেন তা উপযুক্ত অডিয়েন্সদের কাছেই কেবল প্রদর্শিত হয়।

 

অ্যাড কপিটি কি সঠিক ভাবে লেখা হয়েছে?  

আপনি লেখনীরে মাধ্যমে টার্গেট কাস্টমারদের যে মেসেজটি দিবেন, আপনার ব্র্যান্ড ঠিক সেভাবেই মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। ঠিক এই জায়গাতে অনেকেই ভুল করে বসেন। একটি অ্যাড কপি লেখার জন্য কয়েকটি বিষয় আপনাকে মনে রাখতে হবে।

  • অ্যাডের টাইটেল কি দর্শকদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারছে? 
  • আপনার দেয়া অফার কি কাস্টমারদের কাছে গ্রহণযোগ্য? 
  • আপনার দেয়া তথ্যের ওপর কি আস্থা করা যায়?
  • শব্দ চয়ন এবং বানানে ভুল হচ্ছে না তো?
  • খুবই সংক্ষিপ্ত আকারে তথ্য হয়ে যাচ্ছে না তো? 
  • আপনি কি কাস্টমারদের প্রোডাক্টের বেনিফিট সম্পর্কে বলছেন?

উদাহরণ হিসেবে টেস্ট কার্ডের অ্যাডটি দেখুন,

কল টু অ্যাকশন (CTA)

আপনার দেয়া অ্যাডটি পছন্দ হলে এবার কাস্টমার কী করবে? 

এইখানেই কল টু অ্যাকশন (CTA) তার দায়িত্ব পালন করে। এটি বলে দেয় এর পরে অডিয়েন্সদের কী করতে হবে?  আপনি যদি চান আপনার কাস্টমার প্রোডাক্টটি কিনবে তাহলে আপনি তাদেরকে ওয়েবসাইটে নিয়ে যাবেন। 

যদি চান, আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানবে তবে তাকে বিস্তারিত তথ্য দিতে ব্লগে নিয়ে যাবেন।অ্যাড এক্সপ্রেসোর একটি গবেষণায় দেখা গেছে সব থেকে বেশি এবং সফল ব্যবহৃত কল টু অ্যাকশন গুলো হচ্ছে,

Sign Up যা কনভার্সন এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যটি হচ্ছে  Learn More যার মাধ্যমে বেশি সংখ্যক লিঙ্ক ক্লিক পাওয়া যায়।

 

ল্যান্ডিং পেজটি কি ঠিক আছে?

কাস্টমার আপনার দেয়া লিংকে ক্লিক করার পরে ল্যান্ডিং পেজে এসে বিস্তারিত তথ্য পায়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় ল্যান্ডিং পেজটি ঠিকঠাক ভাবে কাজ করছে না। অথবা ল্যান্ডিং পেজে  প্রয়োজনীয় তথ্য তারা পাচ্ছেন না।

ধরুন, আপনি আপনার ব্র্যান্ডের অ্যাওয়ারনেস জন্য কাস্টমারদের ল্যান্ডিং পেজে নিয়ে আসছেন কিন্তু আপনি ল্যান্ডিং পেজ ডিজাইন করেছেন কেনাকাটার জন্য।

অথবা আপনার ল্যান্ডিং পেজ টি ডিজাইন করা কেনাকাটর জন্য কিন্তু আপনি কল টু অ্যাকশন’ এর মাধ্যমে আপনি কাস্টমারদের বলেছেন সেখানে তারা বিস্তারিত জানতে পারবেন। 

মনে রাখবেন, কাস্টমার ভুল তথ্য পেলে  হতাশ হয় এবং কোন রকম কেনাকাটা করা ছাড়াই সে আপনার সাইট ত্যাগ করে চলে যেতে পারে।

 

অতিরিক্ত অ্যাড দেখিয়ে কাস্টমারদের বিরক্ত করছেন না তো?

একই কাস্টমার একই ধরনের অ্যাড বারবার দেখে বিরক্ত বোধ করতে পারে। ফেসবুক পরিচালনা করার সময় আপনি কতবার একজন কাস্টমারকে অ্যাডটি দেখাতে চান তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

সাধারণত, একজন কাস্টমার চার বারের বেশি একটা এড তার ফেইসবুক ফিডে দেখতে পেলে সে বিরক্ত হয়।

আপনার অ্যাড এর ফ্রিকোয়েন্সির চেয়ে কল টু অ্যাকশন এ ক্লিক করার পরিমাণ যদি অনেক কমে যায় তাহলে বুঝতে হবে এখন সময় এসেছে এটি অপ্টিমাইজড করার।

 

পরিশেষে,

ফেসবুকের অ্যাড টুলস দারুণ জনপ্রিয় এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি সাথে সাথে সঠিক ROI নিয়ে আসতে দুর্দান্ত।

কিন্তু সেজন্য তাড়াহুড়া করলে চলবে না। শান্ত মাথায় ভেবে দেখুন ফেইসবুক অ্যাডভার্টাইজিং টুলস আপনার অ্যাডটির পারফরম্যান্স কে আরও বাড়িয়ে তুলতে কী কী ফিচার অফার করছে একই সাথে ওপরের আলোচিত প্রশ্ন গুলো নিজেকে করুন।  

যখন দেখবেন আপনার অ্যাড ভালোভাবে পারফরম্যান্স করতে সক্ষম হচ্ছে না তখনই বুঝতে হবে আপনার এই অ্যাডটির কম্বিনেশন পরিবর্তন প্রয়োজন।

প্রতিবার সবগুলো প্যারামিটার পরিবর্তন কখনোই করবেন না। একটি নির্দিষ্ট প্যারামিটার পরিবর্তন করে অ্যাডের কার্যকারিতার পরিবর্তন লক্ষ্য করতে চেষ্টা করবেন। 

এভাবে সবগুলো প্যারামিটার প্রতিবার পরিবর্তন করে পরীক্ষা করবেন আসলে কোন প্যারামিটার পরিবর্তনের ফলে আপনার অ্যাডের পারফরম্যান্স বেড়ে যাচ্ছে।

যদি আপনার ফেসবুক এডভার্টাইজিং টুলের প্যারামিটার গুলোর সঠিক কম্বিনেশন খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়ে যান তবে নিশ্চিত ভাবে আপনি ইতিবাচক বার বার আপনার ফেসবুক অ্যাড থেকে কাঙ্খিত ফলাফল পাবেন।  

কিভাবে করবেন আপনার ব্র্যান্ডের সিজনাল মার্কেটিং 

কিভাবে করবেন আপনার ব্র্যান্ডের সিজনাল মার্কেটিং 

পহেলা ফাল্গুন বা ভ্যালেনটাইন’স ডে তে (বিশেষ করে ঢাকা শহরে) গলি বা মহল্লার দোকানগুলো তে কোন পরিবর্তন খেয়াল করেছেন কি?   

সম্ভবত  ধরতে পেরেছেন কি বলতে চাচ্ছি! হ্যা, প্রায় সবাই ফুল বিক্রি করে! 

কেন এমন হয়? কারণ এই সময় ফুলের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়।

এমন অনেক ধরণের প্রোডাক্ট আছে যেগুলোর চাহিদা একটি বিশেষ সিজনে বেড়ে যায়।

যেমন: পহেলা বৈশাখে গামছা, মাটির তৈজসপত্র বা তাঁতের শাড়ি বেশি বিক্রি হয়।

   

আপনি যদি একটু কৌশলী হন তাহলে সিজন ভেদে বিভিন্ন প্রোডাক্টের (বা আপনার প্রোডাক্টের) চাহিদার এই তারতম্যের সুবিধা নিতে পারেন। 

যেমন: ২০১৭ সালে ঈদুল ফিতরে বিকাশ বাংলাদেশের ২৮ টি ই কমার্স কোম্পানির ক্যাশব্যাক অফারের পার্টনার হয়েছিলো, সেই বছরে ই কমার্স কেনাকাটা ৩০০ কোটি ছাড়িয়ে যায় যা অন্য সময়ের চেয়ে ৩০% বেশি।  

সিজিওনাল মার্কেটিং সম্পূর্ণ ভাবে কাস্টমারদের কেনাকাটার আচরণের উপর নির্ভর করে।

সিজিওনাল মার্কেটিং ক্যাম্পেইন ধরাবাঁধা নিয়মকে ফলো করে না।

আপনি আপনার নিজস্ব সৃষ্টিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে দারুন সব অফার তৈরি করে কাস্টমারদের কাছাকাছি যেতে পারেন। 

এই মার্কেটিং ক্যাম্পেইনকে তিন প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়:

1.সময় অনুসারে – যেমন ফাটাফাটি ফ্রাইডে, এটি সাপ্তাহিক বা বাৎসরিক হতে পারে।  

2.দিবস অনুসারে – রমজান, ঈদ, পহেলা ফাল্গুন, পহেলা বৈশাখ, নিউ ইয়ার ,পহেলা বৈশাখ

3.ট্রেন্ড অনুসারে – সমসাময়িক ঘটনা অনুসারে

প্রথমে যেটি করতে হবে:

আপনি কোন কোন সিজিওনাল মার্কেটিং ক্যাম্পেইনগুলো পরিচালনা করতে চান সেটির একটি তালিকা তৈরি করে ফেলুন। সেটি অবশ্যই আপনার প্রোডাক্ট এর নির্ভর করে তৈরি করবেন।

যেমন: আমাদের দেশে মোটরসাইকেল শোরুম গুলো ধান কাটার সময়কে টার্গেট করে বিভিন্ন ক্যাম্পেইন চালায়। কারণ এই সময়ে ধানের ব্যবসা যারা করেন তাদের হাতে টাকা থাকে।  তারা মোটরসাইকেল কিনতে আগ্রহী হয়। 

আপনার প্রোডাক্ট যদি হয় ব্রাইডাল আইটেম, তবে সেটির জন্য বেছে নিতে পারেন  শীতের প্রথম সময়। এই সময়ে বিয়ের উৎসব বেশি লক্ষ্য করা যায়। 

প্রোডাক্ট যদি হয় ফ্যাশান আইটেম, তবে ঈদ বা দুর্গাপূজা ভালো সময়। আবার যদি গিফট আইটেম হয় তবে ভ্যালেন্টাইন ডে। 

এছাড়াও বছরের প্রায় সকল সময়ে বিভিন্ন নামে বিক্রির সুযোগ থাকে। তাই বিক্রি আরও বেশি করতে প্রতিটি সিজনকে কাজে লাগাতে পারেন। 

তবে এই সিজনাল ক্যাম্পেইন প্ল্যান  করার সময় অবশ্যই আপনার কাস্টমারদের বায়িং বিহেভিওর পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী প্ল্যান করতে হবে ।

সিজিওনাল কাস্টমার লিস্ট তৈরি 

দারাজ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ই কমার্স প্লাটফর্ম। তারা নিয়মিত ভাবে তাদের অনলাইন সেল অব্যাহত রাখার মধ্য দিয়ে কাস্টমার সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছে। 

ফাটাফাটি ফ্রাইডে নামে তারা প্রতি বছর নভেম্বর ১৭ থেকে ২৭ পর্যন্ত একটি অফার চালু রাখে।

প্রায় সব ধরনের প্রোডাক্টে তারা অফার প্রদান করে এবং প্রোডাক্ট ভেদে ৮০% পর্যন্ত ডিস্কাউন্ট দিয়ে থাকে।

বিভিন্ন ব্র্যান্ড শপগুলোকে একসাথে নিয়ে তারা অফার টি পরিচালনা করে

এই রকম অফারে যারা কেনাকাটা করতে চাইবে তাদের থেকে ফোন ও ইমেল চান।

প্রোডাক্ট অনুসারে সেগমেন্ট আকারে কাস্টমার লিস্ট তৈরিতে মনযোগী হবেন।

কাস্টমারদের কেনাবেচার ধরন ও আচরণ অনুসারে তাদের কোন কোন সিজিনে অফার দিতে চান সেটি ভাগ করে ফেলুন। 

আপনি জেনে গেলেন, কারা সিজওনাল অফার পেয়ে কেনাকাটা করেছে। এরপর, তাদের কাছে নিয়মিত ভাবে সিজনাল মার্কেটিং করে প্রোডাক্ট সেল করতে পারবেন। 

 

সিজনাল প্রোডাক্ট গাইড 

কাস্টমারদের সঠিক প্রোডাক্টটি খুঁজে পেতে সাহায্য করতে গাইড করুন।

ভিন্ন ভিন্ন সিজন অনুসারে কাস্টমারদের জন্য উপযুক্ত প্রোডাক্ট বেছে নিতে পরামর্শ দিন। 

চালডাল তার কাস্টমারদের রমজান মাসের বাজার করাকে সহজ করতে রামাদান নামে একটি আলাদা ক্যাটাগরি করে।

সেখানে সেই মাসের সকল প্রয়োজনীয় প্রোডাক্ট সাজিয়ে রেখেছে। 

কাস্টমার অনেক সময় বুঝে উঠে না একটি সিজনে তার কি কি ধরনের প্রোডাক্ট প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু তার সামনে সবগুলো  সিজনাল প্রোডাক্ট তুলে ধরলে বেছে নিতে সুবিধা হয়।  

আপনি আপনার ই কমার্স সাইটের সিজন অনুসারে সকল প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টের পরামর্শ দিয়ে অ্যাড দিতে পারেন।  

 

সিজনাল প্রোডাক্ট ক্যাটাগরি

সিজন ভেদে মানুষ ভিন্ন ভিন্ন পোশাক পরতে পছন্দ করে। আবার কিছু সময়ে আমরা নিজের জন্য কেনার পাশাপাশি অন্যের জন্য কেনাকাটা করি। 

আড়ং তাদের পহেলা বৈশাখের সকল ড্রেস কালেকশান  Boishakh/1427 নামে একটি আলাদা ক্যাটাগরিতে রেখেছিল। এতে করে কাস্টমার সহজে তার প্রোডাক্ট খুঁজে পায় এবংস্বাচ্ছন্দ্যের সাথে কেনাকাটা করেন। 

 


এতে করে এই উৎসবে কাস্টমার কি ধরনের প্রোডাক্ট পরবে সেটি বেছে নেয়। আবার উপহার হিসেবে অন্যদের জন্য কেনাকাটা করা তার জন্য সহজ হয়। কারণ এই সিজিনে মানুষ এই ধরনের পোশাক পরতেই পছন্দ করে। 

বিয়ের সিজনে মার্কেটিং করতে Wedding Wear নামে একটি ক্যাটাগরি দারাজে রয়েছে তারা সকল Wedding Gowns & Wedding Dresses এই ক্যাটাগরিতে রেখেছে। ফলে একজন কাস্টমারকে এই সিজনে অফার পেয়ে এসে অনেকগুলো কালেকশন থেকে তার পছন্দের টি কিনতে পারে। তাকে সার্চ করে Wedding Wea খুঁজে নেবার কষ্ট করতে হয় না।  

ই কমার্স সাইটে সিজন ভেদে আলাদা আলাদা প্রোডাক্ট ক্যাটাগরি তৈরি করতে পারেন।তারপর সেগমেন্ট করা টার্গেট কাস্টমারদের কাছে তার কেনাকাটার আচরণের ধরন বুঝে মার্কেটিং করতে পারেন। 

 

সিজনাল মার্কেটিং এ কাউন্ট ডাউন টাইমার

নির্দিষ্ট সময়ে সবাই বাড়তি কেনাকাটা করে।প্রতিটি সিজনের একটি সময়কাল রয়েছে।কাস্টমারকে সেই সিজনের শেষ সময় মনে করিয়ে দিতে আপনি  কাউন্ট ডাউন টাইমার ব্যবহারের মাধ্যমে কাস্টমারদের মধ্যে দ্রুত কেনাকাটার হাইপ তৈরি করতে পারেন। 


ঈদ উপলক্ষে ফ্ল্যাশ সেল দিচ্ছেন। তার সাথে সময়টি জুড়ে দিন। কাস্টমার আরও বেশি ভালো ভাবে জানতে পারবে তার হাতে কত সময় বাকি আছে অফারের প্রোডাক্ট কেনাকাটা করার।  

কাস্টমারদের মনে হারিয়ে ফেলার ভয়কে জাগিয়ে তুলে  FOMO মার্কেটিং কৌশল ও সিজিওনাল মার্কেটিং কৌশলকে একীভূত করে বেশি বেশি বেচাকেনা করতে পারেন। 

 

 

সাপ্তাহিক অফার

সপ্তাহের শেষ কেনাকাটার জন্য কাস্টমারদের কাছে পছন্দের সময়।

এই সময়ে কাস্টমারদের দিনের একটি নির্ধারিত সময়ে কেনাকাটার জন্য বরাদ্দ করে দিতে পারেন, যে সময়ে তারা কিনলে বেশি ছাড় পাবে। 

ভ্যালেন্টাইন ডে, ঈদ, পূজা, নিউ ইয়ার, পহেলা বৈশাখ,  পহেলা ফাল্গুন এই উৎসবগুলোর আগে সবাই উদযাপন করার প্রস্তুতি নিতে থাকে।

আপনি এই সকল সিজনে কিছুদিন আগে থেকে হ্যাপিআওয়ার ক্যাম্পেইন চালু করতে পারেন।

যেখানে কাস্টমার উৎসবের আগে প্রতি দিন বা প্রতি সপ্তাহে এই সময়ে  সর্বোচ্চ ছাড়ে কেনাকাটা করতে পারবে।

আবার প্রতি সপ্তাহে একটি নির্ধারিত দিনে এই সময় বরাদ্দ করতে পারেন যেমনটি দারাজ করেছে। 

সিজনাল প্রোডাক্ট মার্কেটিং

বছরের একটি সময়ে নির্দিষ্ট কিছু প্রোডাক্টের চাহিদা সব সময় থাকে।

যেমন, বছরের প্রথমে ব্যাগ, পেন্সিল, জুতা ইত্যাদি আইটেমের চাহিদা বেড়ে যায় কারণ বাচ্চারা এসময় নতুন শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়। ।

দারাজ  Back to School Campaign ক্যাম্পেইনে এই সকল ষ্টেশনারী প্রোডাক্টে ছাড় দিয়ে সেই সকল সিজনাল কাস্টমারদের কাছে প্রোডাক্ট সেল করেছে।  

আবার বর্ষাকালে ছাতা ও রেইনকোটের জন্য করতে পারেন রেইনি ডে ক্যাম্পেইন।

এতে, কেনাকাটা বেড়ে যাবে কারণ এই সময়ে এই সকল প্রোডাক্টের চাহিদা অনেক বেশি থাকে।

 

পরিশেষে,

সিজনাল মার্কেটিং করতে আপনাকে আপনার বিজনেসের সিজনাল ট্রেন্ড এনালাইসিস করতে হবে । বিজনেসের সিজনাল কাস্টমারদের খুঁজে বের করে তাদের কাছে সেই সময়ে প্রয়োজন এমন প্রোডাক্টের উপর বিভিন্ন অফার দিতে হবে । 

উপরে আলোচিত উদাহরণগুলো থেকে অনুপ্রানিত হয়ে আপনার বিজনেসে অনুরূপ আইডিয়া কাজে লাগাতে পারেন। 

বিভিন্ন সিজনে আপনার ইকমার্স বিজনেসের সেল বাড়াতে কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন শেয়ার করুন আমাদের সাথে ।

SMS মার্কেটিংঃ সবচেয়ে কম খরচে কার্যকরী মার্কেটিং সমাধান

SMS মার্কেটিংঃ সবচেয়ে কম খরচে কার্যকরী মার্কেটিং সমাধান

SMS মার্কেটিং ই-কমার্স বিজনেসের জন্য একটি কার্যকরী, আস্থাশীল ও সীমিত খরচের জন্য পরিচিত শক্তিশালী মার্কেটিং মাধ্যম। বাংলাদেশে ১০০ মিলিয়নের ও বেশি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে  ফলে এই মাধ্যমের রয়েছে একটি বিশাল অডিয়েন্স গ্রুপ।  

Pew Research Center বলছে ৯৭% স্মার্টফোন ব্যবহারকারী প্রতিদিন তার ফোনের মেসেজ ফিচারটি ব্যবহার করেন। আমেরিকায় একজন ব্যক্তি প্রতিদিন গড়ে ৪৭ বার তার ফোন চেক করে নতুন কিছু এসেছে কি না তা দেখার জন্য।

আরেকটি জরিপে দেখা গেছে একজন ব্যক্তি গড়ে প্রতিদিন ৪০ টিরও বেশি এসএমএস আদান প্রদান করে। এই মাধ্যম ব্যবহার করে সরাসরি কাস্টমারদের সামনে তথ্য উপস্থাপন করা যায়। যদিও সবার হাতে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট নেই তবুও বিশ্বে ৫ মিলিয়ন মানুষ প্রতিদিন এসএমএস আদান প্রদান করে। 

৯০% এসএমএস  ৩ মিনিট সময়ের মধ্যে পড়ে ফেলা যায়, ওপেন রেট ইমেলের চেয়ে ৫ গুন বেশি। ইমেলের থেকে এসএমএস এর রেসপন্স রেট ২০৯% বেশি। খরচের দিক থেকে গতানুগতিক মার্কেটিং মিডিয়ার থেকে এসএমএস মার্কেটিং এর খরচ ১০ গুন কম। যার ফলে প্রায় ৮০% মানুষ তার বিজনেসে SMS মার্কেটিং ব্যবহার করে ।   

এটি এতটাই কার্যকর যোগাযোগ মাধ্যম যে অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে কাউকে এসএমএস সেন্ড করার ১ মিনিট বা তার অর্ধেক সময়ে তারা রেসপন্স করেছে। 

SMS মার্কেটিং কি?

 

বিজনেসের প্রোমোশনের জন্য টার্গেট কাস্টমারদের লক্ষ্য করে টেক্সট মেসেজ প্রেরন করাকেই এসএমএস মার্কেটিং বলে। বিজনেসের আপডেট, অফার, কুপন ইত্যাদি প্রদান করতে এসএমএস মার্কেটিং ব্যবহার করা হয়। তবে এর ব্যাপ্তি আরও বড় পরিসরে রয়েছে যদি এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।

বিনা কারনে মানুষের ইনবক্সে এসএমএস পাঠানো অপরাধ তাই এসএমএস পাবার জন্য অনুমতি বা এসএমএস না পেতে আনসাবস্ক্রাইব করার সুবিধা প্রদান করা জরুরী। 

বিজনেসের প্রচারে কেন SMS মার্কেটিং প্রয়োজন

এসএমএস ও ইমেইল প্রায় একই কাজ করে পার্থক্য শুধু টেক্সটের দৈর্ঘ্যে।

ইমেলের টেক্সট বড় আকারের হয় আর এসএমএস ছোট আকারের। এসএমএস সাথে সাথে ইনবক্সে আসে, পড়া সহজ ও পড়তে সময় কম প্রয়োজন। 

বর্তমানে প্রায় সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করে এবং অধিকাংশ সময় মানুষ স্মার্টফোনে কাটায়।

ফলে, তাদের ই কমার্স লিংক ভিজিট করাতে এটি কার্যকর ও সহজ। আবার যাদের স্মার্টফোন নেই তাদের কাছে বিজনেসের তথ্য পৌঁছে দিতে এটি একটি আদর্শ মাধ্যম। 

কাস্টমারদের এঙ্গেজ করতে এসএমএস দারুন, কাস্টমারদের কাছে প্রোডাক্টের তথ্য পৌঁছে দেবার মাধ্যমে তাদের কেনাকাটার সিদ্ধান্ত নিতে এটি সহায়ক।

কেন বিজনেসে প্রচারে SMS মার্কেটিং বেছে নিবেন

কাস্টমারদের আস্থা অর্জন করতে

অনেকে আপনার প্রোডাক্ট কেনাকাটা করলেও কম সংখ্যক কাস্টমার আপনার লয়াল হয়।

তাদের কেনাকাটা পরবর্তী সময়ে ধন্যবাদ এসএমএস, মানি রিসিপ্ট প্রদানের মাধ্যমে তাদের আস্থা অর্জনে এটি অত্যন্ত কার্যকর ভুমিকা রাখে।

একটি বড় কাস্টমার গ্রুপকে খুব কম খরচে এসএমএস মার্কেটিং দ্বারা এঙ্গেজ রাখার আদর্শ মাধ্যম এসএমএস। 

কাস্টমারদের সাথে নিরবিছিন্ন যোগাযোগ রাখতে

কাস্টমারদের কাছে প্রোডাক্ট বেচে দেবার পরেই আপনার কাজ শেষ হয়ে যায় না।

তাদের সাথে নিয়মিত বিরতিতে যোগাযোগ রক্ষা করা খুব জরুরী।

তা না হলে কাস্টমার ভাবে নেই আপনি তাদের থেকে শুধু বেচাকেনা ও মুনাফা করার জন্য যোগাযোগ করেন। 

কাজের অগ্রগতি জানানো 

কেনাকাটা পরবর্তী সময়ে এসএমএস এর মাধ্যমে অর্ডার কনফার্ম, ইনভয়েস প্রদান, ডেলিভারি আপডেট দেবার মাধ্যমে আপনি তার জন্য কাজ করছেন সেটি তাদের ভালো অনুভূতি প্রদান করে। এটি কাস্টমারকে লয়াল বানাতে বড় ভুমিকা রাখে। 

SMS মার্কেটিং এর মাধ্যমে কীভাবে বিজনেসে প্রফিট অর্জনে সাহায্য করে 

বিজ্ঞাপন

নতুন প্রোডাক্ট ও সার্ভিস নিয়ে আসার পরে সেটির বিজ্ঞাপন করা খুব প্রয়োজন।

এসএমএস মার্কেটিং এই ক্ষেত্রে সফল ভুমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত এসএমএস এর মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা কাস্টমারদের কাছে প্রোডাক্টের দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি করে।ফলে সেল বেড়ে যায়।  

লিমিটেড টাইম অফার

কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইট খুঁজে অফার পাবার আগেই তাদের এসএমএস এর মাধ্যমে স্পেশাল অফার সম্পর্কে জানিয়ে দেবার মাধ্যমে উপযুক্ত কাস্টমারদের ই কমার্স সাইটে নিয়ে এসে তাদের কাছে সেল করা যায়।

কাস্টমার আপনার অফারে আগ্রহ প্রকাশ করেই আসছে মানে তাদের কেনাকাটার সম্ভবনা সব থেকে বেশি। 

বিজনেসের পরিচিতি

ইন্টারনেটে লক্ষ সাইটের মধ্যে আপনাকে খুঁজে পাওয়া খুব কষ্টকর। একটি বিজনেস তাদের অনলাইন দৃশ্যমানতা বাড়াতে SEO  এর জন্য বড় অংকের খরচ করে সবার সার্চ ইঙ্গিনে সবার প্রথমে নিজেকে নিয়ে আসে।

কিন্তু এসএমএস মার্কেটিং দ্বারা সামান্য খরচে কাস্টমারকে আপনার সাইটে নিয়ে আসা সম্ভব।

আপনি সরাসরি কাস্টমারের ফোনের সামনের স্ক্রিনে  সামনে চলে আসতে পারেন।

কাস্টমার ফলোআপ

কাস্টমারদের একবার বলে কেনাকাটা করানো যায় না।

তাদের সাথে নিয়মিত ভাবে যুক্ত থাকার মাধ্যমে সঠিক মুহূর্তের অপেক্ষা করতে হয়।

কাস্টমার প্রয়োজন বোধ করার সময়ে আপনাকে মনে করতে পারলেই তারা আপনার থেকে কেনাকাটা করবে। এই ক্ষেত্রে এসএমএস ভীষণ রকম সহায়ক মাধ্যম। 

স্পেশাল মুহূর্তে উইশ করতে

প্রিয় মুহূর্তে উইশ পেলে সবাই আনন্দিত হয়। এসএমএস দ্বারা একটি ব্র্যান্ড কাউকে উইশ করলে কাস্টমার খুশি হয়।

আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে তার ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। জন্মদিন, বিবাহ বার্ষিকী, বিশেষ উপলক্ষে তাদের উইশ করতে এসএমএস উপযুক্ত। 

 

SMS মার্কেটিং এর ৪ টি কার্যকরী ট্রিক্স

ভৌগলিক টার্গেটিং

দেশের ফোন নম্বরের জন্য কান্ট্রি কোড রয়েছে।

তাই আপনার বিজনেসের আন্তর্জাতিক কাস্টমার থাকলে তাদের টার্গেট করে এসএমএস মার্কেটিং করার সুবিধা পাবেন।

এসএমএস মার্কেটিং এর খরচ যেহেতু সীমিত তাই রিটার্ন অফ ইনভেস্টমেন্ট বেশি হয়। 

সাইকো গ্রাফিক  টার্গেটিং

কাস্টমার কিছু নির্দিষ্ট সময়ে বেশি কেনাকাটা করে।

বিশেষ উপলক্ষ ও সপ্তাহের শেষে তাদের কেনাকাটার পরিমান বেশি হয়।

এ সময় তারা সেরা অফার খোঁজ করে আপনি তাদের সেই সময়গুলোতে এসএমএস মার্কেটিং করে কেনাকাটায় উৎসাহী করে তুলতে পারেন। 

ডেমোগ্রাফিক টার্গেটিং

কাদের কি তথ্য দিলে তারা গ্রহন করবে সেটি মার্কেটিং এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ধরুন, ৩০ ঊর্ধ্ব মেয়েদের যদি তারুণ্য ধরে রাখতে ক্রিম এর অ্যাড দেন তবে তারা সেটি গ্রহন করবে।

এসএমএস মার্কেটিং এ এই ক্যাটেগরি ট্যাগ করে মার্কেটিং করা সম্ভব। 

লজিকাল টার্গেটিং

কিছু কাস্টমার আর্লি এডাপ্টার কিছু লেট এডাপ্টার হয়।

আর্লি এডাপ্টার শ্রেণীর কাস্টমার গ্রুপ সবার প্রথমে একটি প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে পছন্দ করে।

আপনার কাছে কাস্টমারদের তথ্য থাকলে তাদের টার্গেট করে এসএমএস করলে ভালো ফলাফল পাবেন।  

 বাল্ক SMS কীভাবে বিজনেসকে সাহায্য করে

ট্রানজেকশনাল SMS

টার্গেট কাস্টমার দের প্রতিনিয়ত বিজনেসের আপডেট তথ্য জানানোর মাধ্যমে তাদের সাথে বিজনেসের যোগাযোগ রক্ষা করতে বাল্ক এসএমএস সাহায্য করে। 

কাস্টমার সার্ভিস

আপনার প্রোডাক্ট নিয়ে অভিযোগ থাকলেও কাস্টমার অনেক সময় তারা আপনাকে কিছুই বলে না এবং তারা অন্য বিজনেসের দিকে ধাবিত হয়।কেনাকাটা পরবর্তী সময়ে তাদের আপনি এসএমএস দ্বারা প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তারা নিরাপদ বোধ করে এবং  তাদের সমস্যার সমাধান করে বিজনেসে তাদের ধরে রাখতে সক্ষম হন। 

আপডেট তথ্য সরবরাহ

কাস্টমারদের কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে বাড়িয়ে তুলতে নিয়মিতভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের মাধ্যমে তাদের সন্তুষ্টি অর্জনে এসএমএস মার্কেটিং চমৎকার।   

 

 

SMS মার্কেটিং কৌশল

কুপন অফার ও সেইম ডে শপিং

ইমেইল মার্কেটিং এর মতই কাস্টমারদের এসএমএস মার্কেটিং এর মাধ্যমে কুপন কোড অফার করতে পারেন। যে সকল কাস্টমার আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে জানেন ও ভালোবাসেন তারা কেনাকাটার সিদ্ধান্ত নেবার সময় আপনাকে বেছে নিতে খুব বেশি ভাবেন না।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে ২০১৬ সালে ৮ মিলিয়ন ইউ এস কাস্টমার কেনাকাটায় সেলারদের দেয়া কুপন কোডে সাড়া দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এই ২০২১ সাল নাগাদ ১৪৫.৩ মিলিয়ন হবে।   

সেইম ডে শপিং নামে আরও একটি কৌশল ব্যবহার করে  প্রতিদিনের সেলের পরিমান বাড়াতে পারেন। কাস্টমারদের কুপন অফার করুন যেটি শুধু মাত্র সেই দিনেই কার্যকর হবে। যেমনটি করেছে Hudson’s Bay,

লিমিটেড সময়ে অর্ডারে অফার

বিজনেসের যত দ্রুত কাস্টমারদের অর্ডার কনফার্ম করতে প্রভাবিত করতে পারবেন তত ভালো।

কাস্টমার যদি একটি অ্যাড বা অফার পাবার পরে কিছু মুহূর্তে মধ্যে অর্ডার না করে তবে তাদের অর্ডার করার সম্ভবনা খুব কম থাকে।

যারা কেনাকাত করার সিদ্ধান্ত নেবার মুহূর্তে রয়েছে তাদের সীমিত সময়ের মধ্যে অর্ডার করাতে অফার দিলে তারা দ্রুত কেনাকাটা সম্পন্ন করে। 

হারিয়ে যাবার ভয় তাদের মধ্যে জেগে উঠে এসময় কারণ তারা সেই প্রোডাক্টটি কিনতে চায় এবং আপনি তাকে ভালো মূল্য অফার করছেন। 

Function of Beauty.একটি নামকরা পার্সোনাল কেয়ার প্রোডাক্ট সেলার, দেখুন তাদের এসএমএস মার্কেটিং এর একটি ক্যাম্পেইন।  

বিজনেস মাইলস্টোন উদযাপন

প্রতিটি অর্জন আনন্দের।  আপনার  বিজনেসের সেই আনন্দঘন সময়ে কাস্টমারদের সাথে উদযাপন করতে তাদের অফার দিতে পারেন।

কাস্টমার আপনার অর্জন সম্পর্কে জানতে পারবে।

এতে, আপনার বিজনেস সম্পর্কে কাস্টমারদের আস্থা ও পেশাদারিত্ব সম্পর্কে ইতিবাচক ধারনার জন্ম দেয়।

এটি কাস্টমারের সাথে একটি ব্র্যান্ডের সম্পর্ক বাড়িয়ে তোলে।

পারসোনালইজড এসএমএস

নিজের নাম পড়তে মানুষ ভালোবাসে। ৮০% কাস্টমার সেই ব্র্যান্ড থেকে কিনতে পছন্দ করে যারা তাদের স্বকীয় অভিজ্ঞতা প্রদান করে। তারা এই মার্কেটিং তথ্যকে মূল্যবান মনে করে কারণ আপনি তাকে সরাসরি লক্ষ্য করে বলছেন। ৭২% কাস্টমার এই তথ্যের সাথে সরাসরি এঙ্গেজ হয়। 

পরিশেষে,

৪০% কাস্টমার সেই বিজনেসের সাথে এঙ্গেজ হয় ও ক্রেতায় পরিনিত হয় যারা তাদের এসএমএস দ্বারা যুক্ত রেখেছে। এসএমএস মার্কেটিং এর খরচ কম, ওপেন রেট বেশি ও রিটার্ন অফ ইনভেস্টমেন্ট ভালো তাই এই শক্তিশালী মার্কেটিং মাধ্যমটি আপনার বিজনেসের জন্য দুর্দান্ত ফলাফল বয়ে নিয়ে আসতে সক্ষম। না জানার কারনে অনেক সেলার এই মাধ্যমটিকে অবহেলা করেন যা তার বিজনেসের মার্কেটিং সফলতার জন্য একটি মারাক্তক ভুল সিদ্ধান্ত।   

ফেসবুক প্রোমোশনঃ বেশি রিচ হবার পরেও কেন কাস্টমার এঙ্গেজ হয় না

ফেসবুক প্রোমোশনঃ বেশি রিচ হবার পরেও কেন কাস্টমার এঙ্গেজ হয় না

ফেসবুক প্রোমোশন অনলাইন সেলারদের বিজনেসের প্রধান মার্কেটিং কৌশল । কিন্তু অ্যাড ফেসবুকে বেশি রিচ হবার পরেও কেন কাস্টমার এঙ্গেজ হয় না।

সমসাময়িক সময়ে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে প্রোডাক্ট সেলের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।কিছু সেলার এর সুফলও পেলেও অনেকেই সেল না পেয়ে হতাশ হচ্ছেন। 

আবার কিছু অনলাইন সেলার শুধু প্রোডাক্টের ছবি তুলে সেটি পোস্ট করেই প্রোডাক্ট সেল করার চেষ্টা করছেন। 

এধরনের সেলারদের কাস্টমার পাবার অন্যতম উপায় ফেসবুক প্রোমোশন। দেখা যায় বিজনেসের শুরুতে  ফেসবুক প্রোমোশন এর মাধ্যমে ভালো সাড়া পেলেও কিছুদিন পরে এর পরিমাণ দিন দিন কমতে থাকে। একটা সময় পরে আর কোন রেজাল্ট আসে না। 

এমন সময়, সেলারদের কিছু কমন প্রশ্ন থাকে,

  1. ফেসবুক বুস্টিং সার্ভিস প্রদানকারী কি তাহলে ভালো ভাবে কাজ করতে পারছে না? 
  2. ভালো রেজাল্ট পেতে পেজ প্রমোট করবো না পোস্ট প্রমোট করবো?
  3. বাজেট কত হলে  ফেসবুক বুস্টিং থেকে কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট পাবো ?
  4. কতদিন ধরে অ্যাড দিতে হবে কাঙ্ক্ষিত রেজাল্ট পেতে চাইলে ?

ধরুন, উল্লিখিত সবকিছুই সঠিক করছেন তবুও রেজাল্ট পাচ্ছেন না। তাহলে এমন হবার পেছনে কারণ কি ? যদি আপনার মনেও কখনো এমন প্রশ্নের উদয় হয়ে থাকে তবে লিখাটি সম্পূর্ণ পড়ুন।

প্রশ্নগুলোর সম্ভব্য উত্তর,  

  1. যদি ফেসবুক বুস্টিং সার্ভিস প্রদানকারী সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বিষয়ে দক্ষতা না থাকে বা প্রফেশনাল না হয়ে থাকেন তবে ফেসবুক বুস্টিং দ্বারা রেজাল্ট না আসার এটি একটি কারণ হতে পারে। হতে পারে তিনি সঠিক কাস্টমার টার্গেটিং বা ক্যাম্পেইন অপটিমাইজ করতে সক্ষম হচ্ছেন না। 
  2. ফেসবুকের অ্যাড দেবার যে সকল অবজেক্টিভ রয়েছে সেগুলো তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে।Awareness, Consideration, Conversion। আপনি অ্যাড থেকে কি চাচ্ছেন সেটির উপর নির্ভর করে কি প্রমোট করা প্রয়োজন।   
  3. এক কথায় যদি বলি, তবে প্রতিদিনের বাজেট যত বেশি করবেন তত ভালো। 
  4. যতবেশি সময় অ্যাড চলবে তত বেশি মানুষ সেটি দেখবে। 

ফেসবুক প্রোমোশন নিয়ে বিস্তারিত জানতে পরুনঃ ফেসবুক মার্কেটিং রহস্য – কী করবেন আর কী করবেন না

ধরুন, সব কিছুই ঠিক মতো করেছেন,  তাহলে ফেসবুকে বুস্ট করে ভালো রিচ পাবার পরেও কেন কাস্টমার এঙ্গেজ হচ্ছে না। 

প্রশ্নটির উত্তর দিতে আমি একটি রুপক উদাহরণের সহায়তা নিচ্ছি , 

ফেসবুকের জায়গায় আপনি টেলিভিশন কল্পনা করুন।

এই দুটির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো একটি স্যাটেলাইট ব্রডকাস্টিং আর একটি ওয়েব মিডিয়া। একটি ওপেন মিডিয়া, আর একটি প্রাইভেট মিডিয়া। 

কিন্তু সবার কাস্টমার সেই একই। এখন যদি টেলিভিশনে শুধু অ্যাড ছাড়া কিছুই না দেখায় তবে আপনি কতদিন সেই অ্যাড দেখার জন্য টেলিভিশন দেখবেন একবার ভাবুন।

তাহলে, আমরা কি করি

নাটক দেখি, মুভি দেখি, খবর দেখি আর তাঁর মাঝে আমরা বিজ্ঞাপন দেখি।

যদি টেলিভিশনে বিনোদন মূলক অনুষ্ঠান না দেখানো হতো তবে আপনি নিশ্চয় শুধু অ্যাড দেখার জন্য টেলিভিশন চ্যানেলে চোখ রাখতেন না। 

যে অ্যাড গুলো অনেক বেশি সময় ধরে বেশি সংখ্যক চ্যানেলে দেখানো হয় সেগুলি আমরা মনে রাখি।

পরবর্তী সময়ে যখন কেনাকাটা করতে যায় আমারা সেই প্রোডাক্টগুলি বেশি কিনি। যে প্রোডাক্ট সম্পর্কে আমরা খুব বেশি জানি না সেটি আমরা কিনতে চাই না। 

অ্যাড গুলোর প্রচারের সময় ও তাঁর দৈর্ঘ্যের উপর অ্যাডের খরচ নির্ভর করে।

লম্বা সময় ধরে চলা অ্যাড ও বিশেষ সময়ে দেখানো অ্যাড গুলোর জন্য খরচ বেশি করতে হয়। কিন্তু ফলাফলে আপনি অনেক মানুষের কাছে আপনার প্রোডাক্টের তথ্য পৌঁছে দিতে পারেন। 

Best Brand Award 2019 বাংলাদেশে এ যে সকল ব্র্যান্ড শীর্ষ ১৫ তে স্থান করে নিয়েছে তাদের একটি তালিকা দেয়া হলো।

এবার, যখন টেলিভিশনে তাদের অ্যাড দেখবেন খেয়াল করার চেষ্টা করবেন, তালিকায় স্থান পাওয়া ব্র্যান্ডগুলো কিভাবে অ্যাড দিচ্ছে, কোন অনুষ্ঠানগুলো চলাকালীন সময়ে তাদের অ্যাড  দেখছেন। 

লক্ষ্য করবেন, জনপ্রিয় অনুষ্ঠানগুলোর চলাকালীন সময়ে তাদের অ্যাড বেশি দেখানো হয়। আপনি হয়ত সবগুলো অ্যাড পুরো কখনোই দেখেননি কিন্তু তাদের নাম আপনার মনে গেঁথে আছে। 

তাঁরা কিভাবে আপনার মনে জায়গা করতে সক্ষম হলেন  

এবার, অ্যাড গুলোর দিকে নজর দিন। খেয়াল করুন অ্যাড গুলোতে কেউ বলছে না আপনি তাঁর প্রোডাক্ট কিনুন, বলছে কিভাবে তাদের প্রোডাক্ট আপনার সমস্যার সমাধান করবে। 

আবার, গান, ফান বা শিক্ষামুলক তথ্য দিয়ে আপনার কাছে তাদের প্রোডাক্ট পৌঁছে দিচ্ছে।

আর এভাবেই একটি ব্র্যান্ড তাঁর অ্যাডগুলোর মাধ্যমে কাস্টমারদের তাদের সাথে ধরে রাখে। 

ফেসবুকের জন্য একই নিয়মে কাস্টমারদের ধরে রাখতে হয়।

আপনার পেজটিকে কাস্টমারদের জন্য একটি উপকারি মাধ্যমে রূপান্তরিত করুন। যেখানে কাস্টমার আপনার বিজনেস রিলেটেড প্রোডাক্ট নিয়ে দৈনন্দিন জীবনের তাদের ব্যবহার ও সুবিধা নিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পাবে। 

আপনি যদি আপনার বিজনেস সেক্টরে কর্তৃত্ব তৈরি করতে পারেন তবেই কাস্টমার সেই প্রোডাক্ট কেনার জন্য আপনার উপর আস্থা রাখবে।আপনার পেজের সাথে এঙ্গেজ হবে।  

এখন, তাদের তাদের টার্গেট করে ফেসবুক প্রোমোশন করুন, দেখবেন তারা এঙ্গেজ হবে আগের থেকে অনেক বেশি।  

দেশের পপুলার ব্র্যান্ডগুলোর কিছু জনপ্রিয় অ্যাড দেখে নেয়া যাক, 

Wolton,

https://www.youtube.com/watch?v=PW-TK0KqOkE

https://www.youtube.com/watch?v=_6lB3t2JpSI

https://www.youtube.com/watch?v=UysHEWBVYII

https://www.youtube.com/watch?v=NKIuaHZT9Ag

RFL

https://www.youtube.com/watch?v=fIdWKZBxYj0

Grameen Phone

https://www.youtube.com/watch?v=ciBnbRssHno

https://www.youtube.com/watch?v=to7m2wR1EyY

https://www.youtube.com/watch?v=9ju9O4Ddlww

Jui Coconut Hair Oil

https://www.youtube.com/watch?v=HPiQk4MZxMI 

Some Nostalgic Bangladeshi TVC

https://www.youtube.com/watch?v=iTotRcNUWKk

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কোন বিছিন্ন ব্যাপার নয়, এটি একটি পরিকল্পিত কাঠামোর অধীনে পরিচালিত করতে হয় যদি আপনি সুফল পেতে চান। 

 

 

ইটালিয়ান SME ফ্যাশান ব্র্যান্ডের একটি বিজনেস কেস স্টাডি থেকে কিছু তথ্য আপনাদের জানাবো।

তাঁরা কিভাবে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং পরিকল্পনা করেছিল একটি স্বনামধন্য ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিতি পেতে ও বেচাকেনার পরিমাণ বাড়াতে। 

এই বিজনেস কেস স্টাডির জন্য ফ্যাশান ব্র্যান্ড X মডেল হিসেবে বেঁছে নেয়া হয়েছিলো। ফ্যাশান ব্র্যান্ড X সম্পর্কে সংক্ষেপে জেনে আসি,

ব্র্যান্ড X এ ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে মাঝারি আকারের  চামড়ার ব্যাগ এবং আনুষাঙ্গিক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।এর প্রায় শতাধিক কর্মচারী রয়েছে এবং ২০১৪ সালে এই প্রতিষ্ঠান € 28 মিলিয়ন ডলার উপার্জন করে।

ফ্লোরেন্স তুষ্কানী অঞ্চলের একটি শহর, যার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এখানে থেকে ছোট কারিগরি দোকান থেকে শুরু অনেক বিখ্যাত ফ্যাশান ব্র্যান্ড তাদের যাত্রা শুরু করেছিলো। টাসকানির স্থানীয় ফ্যাশন হাউসগুলির রয়েছে  উদ্যোক্তা মনোভাব, সৃজনশীলতা এবং কারুশিল্পের সংমিশ্রণের সক্ষমতা। 

ব্র্যান্ড X তাঁর বিজনেসে যখন সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং-এর প্রয়োজনীয়তা বোধ করলে তাঁরা একটি সমন্বিত সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং পরিকল্পনা করেন। 

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং নিয়ে তাদের কি পরিকল্পনা ছিলো?

ব্র্যান্ড X সামাজিক প্ল্যাটফর্ম হিসাবে ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, পিন্টারেস্ট এবং লিংকডিন ব্যবহার করেছিলো।

কাস্টমারদের এঙ্গেজ করতে তাঁরা ফেসবুককে ব্যবহার করে।

রিয়েল টাইম ইভেন্টগুলি কাস্টমারদের জানাতে টুইটার ব্যবহার করেছিলো।  ব্র্যান্ড X  পিন্টারেস্ট এবং ইউটিউবকে বেঁছে নিয়েছিলো  “গল্প” বলার মধ্যমে কাস্টমারদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে।

 

আসুন, এক নজরে দেখে আসি তাদের সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কার্যক্রমের কাঠামো।

এটি আপনার অনলাইন বিজনেসের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর পরিকল্পনা তৈরিতে সাহায্য করার মধ্য দিয়ে বিজনেসর গ্রোথ নিশ্চিত করবে বলে আশা করি।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কার্যক্রমের কাঠামোটি ১০ ক্যাটাগরির কার্যক্রম নিয়ে তৈরি করা হয়েছিলো,

  1. Public relations (PR).
  2. Promotion process.
  3. Engaging online opinion leaders, key influencers, and personalities as a means to influence customers.  
  4. Personalizing customer experience and customization of products. 
  5. Engaging the customer as a creator of product reviews,  advertising concepts, and as a co-producer or as a source of innovation.
  6. Engaging customers to participate in a call to action for participatory promotion.  
  7. Customer support.  
  8. Engaging with competitors in social media.
  9. Social media mix: the selection of social media platforms’ features.
  10. Market intelligence.

কাঠামোটি বিশদ ভাবে বুঝতে দেখুন নিচের টেবিলটি,


ব্র্যান্ড এক্সের মার্চ ২০১৪ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০১৫ পর্যন্ত এক বছরের ফেসবুক ব্র্যান্ড পেজের ক্রিয়াকলাপ সংগ্রহ করে সেটির  মোট ১৩৬ টি পোস্ট বিশ্লেষণ করা হয় । 

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং স্ট্রাটেজি টেবিল অনুসারে এই বিশ্লেষণ হতে ১৫২ ধরনের কাস্টমার অ্যাকশন খুঁজে বের করা হয়। 

বেশিরভাগ কাস্টমার অ্যাকশন ছিল প্রচার এবং বিক্রয় কেন্দ্রিক (মোট কাস্টমার অ্যাকশনের 54%)। 

অন্যান্য কাস্টমার অ্যাকশনগুলো যেমন, জনসম্পর্ক সম্পর্কিত, অনলাইনে মতামত, মূল প্রভাবক, ব্যক্তিত্ব, সেলিব্রিটি বা পাবলিক ফিগার এবং কাস্টমার সাপোর্ট সম্পর্কিত ছিল।

বিশ্লেষণটি পাই চার্ট আকারে দেখুন, 

এভাবেই ব্র্যান্ড X সমন্বিত মার্কেটিং কার্যক্রমের দ্বারা কাস্টমার এঙ্গেজমেন্ট, ব্র্যান্ড আওয়ারনেস, ব্র্যান্ড রেপুটেশন বাড়িয়ে তোলে যার ফলে সেল বেড়ে যায় এবং তাঁরা বিক্রয় লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয়। 

পরিশেষে,

আপনার টার্গেট অডিয়েন্স সম্পর্কে জানুন, অর্থবহ কনটেন্ট তৈরি করুন, পোস্টের পারফর্মেন্স পরিমাপ করুন, ফেসবুক প্রোমোশন করুন এবং ফেসবুকের মাধ্যমে বেশি বেশি সেল করুন। 

মনে রাখবেন, শুধু বুস্টিং মানেফেসবুক প্রোমোশন নয়। ফেসবুক প্রোমোশন একটি সমন্বিত বিজ্ঞাপন পরিকল্পনা। 

অডিয়েন্স এনগেজমেন্টঃ কোন সময়ে ফেসবুক অডিয়েন্স সর্বাধিক একটিভ থাকে

অডিয়েন্স এনগেজমেন্টঃ কোন সময়ে ফেসবুক অডিয়েন্স সর্বাধিক একটিভ থাকে

সবাই চায় ভালো অডিয়েন্স এনগেজমেন্ট, তাঁর দেয়া পোস্ট সবার আগে কাস্টমার দেখুক।  https://www.brandwatch.com/ এর তথ্যঅনুসারে ফেসবুকে ৬০ মিলিয়ন বিজনেস পেজ রয়েছে।

তারা প্রতেকে টার্গেট কাস্টমারদের জন্য পোস্ট দিচ্ছে।  এই অবস্থায় নির্দিষ্ট একটি ইন্ডাস্ট্রির জন্য দেয়া পোস্ট টার্গেট কাস্টমারদের নিউজ ফিডে  খুব বেশি সময় দৃশ্যমান রাখাটা মুশকিল।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর প্রতিক্রিয়া প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল।

আর এই পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ করে কাস্টমারদের আচরণ ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের ধরণ । আপনাকে হতে হবে কৌশলী যাতে সবার পোস্টগুলো ছাপিয়ে আপনি আসতে পারেন কাস্টমারদের নিউজ ফিডের শীর্ষে। 

একটি সোশ্যাল মার্কেটিং এজেন্সি তাদের ২০ হাজারেরও বেশি কাস্টমারদের ডেটা নিয়ে একটি গবেষণা করে বের করেছে, আলাদা আলাদা  ইন্ডাস্ট্রির জন্য সর্বাধিক কাস্টমার দিনরাতের  কোন সময়গুলোতে  বিজনেস পেজের  সাথে এঙ্গেজ হয়।

এই তথ্যটি Central Time Zone (CST) এর নিয়ম অনুসারে সময়গুলো নির্দেশ করেছে। GMT  থেকে CST -৬ ঘণ্টা অর্থাৎ  GMT অনুসারে বাংলাদেশে সময় যখন বিকাল ৪ টা তখন CST অনুসারে সময়  সকাল ১০ টা। 

দেশ ও সংস্কৃতি ভেদে কাস্টমারদের ফেসবুক ব্যবহারের সময়ের পার্থক্য আছে।

আমরা বুঝতে চেষ্টা করেছি  কেনো সেই সময়গুলোতে কাস্টমারেরা বিজনেস পেজগুলোর সাথে বেশি যুক্ত হয়।   

ফেসবুকে পোস্ট করার সেরা সময়

ফেসবুকে পোস্ট দেবার জন্য আপনাকে সেই সময়গুলো বেছে নিতে হবে সে সময়গুলোতে সর্বাধিক মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে।

এতে করে, আপনার পোস্ট বেশি মানুষের নিউজ ফিড রিচ করতে পারবে। 

ফেসবুক কনটেন্ট বিন্যাস করে কাস্টমারদের পছন্দের সাথে মিল রেখে।

ইতিপূর্বে আপনার টার্গেট কাস্টমার যেসকল ধরনের পোস্ট লাইক করেছে তাদের সেই সকল পোস্ট বেশি বেশি দেখানো হয়।

 

উপরের চিত্রটি ফেসবুকের গ্লোবাল  এনগেজমেন্টের। খেয়াল করুন, গাড় নীল রঙ দ্বারা বেশি এনগেজমেন্ট বোঝানো হয়েছে। সেখানে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টার মধ্যে  বেশি পরিমাণ অডিয়েন্স এনগেজমেন্ট লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বুধবারের এনগেজমেন্ট অন্যদিনের থেকে বেশি। রাত ১০ থেকে সকাল ৩ টার মধ্যে খুব কম এনগেজমেন্ট লক্ষ্য করা যাচ্ছে। 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দৃশটি কেমন? 

বাংলাদেশের মানুষের কর্মজীবন ও সংস্কৃতি অন্যদেশের থেকে আলাদা। তাই এটি খুব স্বাভাবিক যে তাদের সময়ের ব্যবহার আলাদা হবে। 

DeshiCommerce বাংলাদেশের অন্যতম একটি ই কমার্স সল্যুশন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের ই কমার্স বিজনেসের প্রচার ও প্রসারে  আমরা কাজ করছি। 

আমাদের কাস্টমারদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রমোশনের অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্ত তথ্যে আমার দেখতে পায় আমাদের  কাস্টমারেরা কখন ফেসবুকে একটিভ থাকে।

উপরের চিত্রে দেখা যাচ্ছে গত ১ সপ্তাহে আমাদের বিজনেস পেজে গড়ে কি পরিমাণ দর্শক কোন সময় গুলোতে একটিভ ছিল। 

দেখা যাচ্ছে সকাল ৭ টাই ১৯১৮ জন পেজের দর্শক একটিভ ছিল।  সারাদিনের এনগেজমেন্টের মধ্যে সর্বাধিক ।    

উপরের চিত্রে দেখা যাচ্ছে দুপুর ৩ টাই সবচেয়ে কম দর্শক একটিভ ছিল।

 

এই চিত্রটি খেয়াল করুন এখানে রাত ১১ টাই ১৬৭৮ জন একটিভ দর্শক দেখা যাচ্ছে। এটি সারা দিনরাতের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। 

তাহলে এখন যদি আমি একটি পোস্ট করি সকাল ৭ টাই তবে সর্বাধিক অডিয়েন্স এনগেজমেন্ট পাবো।

যদি পোস্ট করি দুপুর ৩ টাই তবে এনগেজমেন্ট কম হবে আর যদি পোস্ট করি রাত ১১ টাই তবে বেশি পরিমাণ অডিয়েন্স এনগেজমেন্ট আসবে। 

এই পরিসংখ্যান ইন্ডাস্ট্রি, প্রোডাক্ট ও লোকেশন ভেদে আলাদা হতে পারে। 

ধরুন, আপনার টার্গেট কাস্টমার শহরে বসবাস করে। তাহলে তাদের আপনি রাত ১ টা পর্যন্ত অনলাইন পাবেন।

যদি আপনার টার্গেট কাস্টমার গ্রামে বাস করে তবে তাদের মধ্যে খুব কম পরিমাণ দর্শক রাত ১১ টার পরে জেগে থাকে। 

ধরুন, আপনার প্রোডাক্ট ফ্যাশান আইটেম। মানুষ এই রকম প্রোডাক্ট একটু অবসর সময়ে বেশি কেনাকাটা করে।

যেমন, ছুটির দিনে। রাতে সব কাজ সেরে যখন অনলাইনে সময় পার করছে তখন। 

আবার যদি আপনি সার্ভিস সেল করেন আর টার্গেট কাস্টমার যদি কর্পোরেট হয় তবে তাঁরা বাসায় এসে অফিসের জন্য মনোযোগ দিবে না। তাঁরা আপনাকে সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৬ টার মধ্যে অনলাইনে খুঁজবে। 

 

 

আপনি চাইলে খুব সহজেই দেখে নিতে পারেন কোন সময়গুলোতে আপনার পেজের দর্শক বেশি একটিভ থাকছে।

পেজের একটিভ দর্শক দেখতে পেজ প্রবেশ করে “more” অপশনে যান। 

“more” অপশনে ক্লিক করলে “insights” অপশন আসবে সেখানে ক্লিক করুন। 

 

 এবার “Post” এ ক্লিক করলে আপনার পেজের একটিভ দর্শকদের একটি পরিসংখ্যান বের হয়ে আসবে। যেখান থেকে আপনি সহজে জানতে পারবেন কোন সময়ে আপনার পেজের দর্শক বেশি একটিভ থাকছে। এবার সেই সময়গুলোতে পোস্ট করুন। বেশি পরিমাণ অডিয়েন্স এনগেজমেন্ট পাবেন। 

 

ফেসবুক তার বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীদের কাছে আপনার বিজনেস পেজের তথ্য পৌঁছে দিবে কেন? দিন শেষে তারাও বিজনেস খোঁজে তাই পেজের এঙ্গেজমেন্ট বাড়াতে হলে অর্গানিক রিচ বাড়ানোর পাশাপাশি পেইড প্রোমোশন একান্ত প্রয়োজন। 

আপনি এখন জানেন আপনার অডিয়েন্সদের ফেসবুকে সময় কাটানোর সময়গুলো সম্পর্কে। 

এটাই সুবর্ণ সুযোগ পেইড প্রোমোশনের মাধ্যমে সর্বাধিক সফলতার সাথে তাদের নিউজফিডে আপনার অবস্থান শীর্ষে ধরে রাখা।

ফেসবুক মার্কেটিং নিয়ে আরো পড়ুনঃ  ফেসবুক মার্কেটিং রহস্য – কী করবেন আর কী করবেন না

লাইক-ফলো দিয়ে সাথে থাকুন

ক্যাটাগরি

জনপ্রিয় পোস্ট